বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি’র চেয়ারম্যান প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩, ৯:৫১ পিএম
আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি’র চেয়ারম্যান প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন

বুধবার (২৬ জুলাই) বিকেলে ধানমণ্ডিতে দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির প্রথম সভায়, উপকমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হোসেন মনসুর সভাপতিত্ব এবং উপকমিটির সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর সঞ্চালনায় ৬ টি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয়। তার মধ্যে বিদ্যুৎ খাত সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন কে নির্বাচন করা হয়।

প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন কর্মজীবনের বিভিন্ন সংস্থা/প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৯৬ সালে পাওয়ার সেল-এর সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

তিনি প্রকৌশলীদের পেশাদারী প্রতিষ্ঠান ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইবি) ‘ঢাকা সেন্টার”-এর ২০২৩-২০২৪ মেয়াদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ ভূমিকা হিসেবে প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন সার্কভূক্ত দেশসমূহের জ্বালানিখাতে সহযোগিতামূলক সংস্থা South Asian Regional Initiative (SARIE/I)-র স্টিয়ারিং কমিটির ২০২১-২০২২ মেয়াদে চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালম করেন।

প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন ২০১৯ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এসকাপের (UN- ESCAP) জ্বালানিবিষয়ক কমিটির সম্মেলনে ২০১৯-২১ মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশকে এক অনন্য মর্যাদার আসনে আসীন করেন । তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্বাক্ষরের প্রথম অনুস্বাক্ষরকারী এবং বাংলাদেশ-ভারত ও বাংলাদেশ-নেপাল যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য। প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন সার্ক এনার্জি সেন্টারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং এর গভর্নিং বোর্ডের একজন সদস্য। এছাড়াও জনাব মোহাম্মদ হোসাইন D-8-এর নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।

Model Hospital

প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন হার্ভার্ড কেনেডি এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের একজন সম্মানীত সদস্য। সম্প্রতি প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন, সমাজ সেবা এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় ‘গ্লোবাল বিজনেস অ্যান্ড সিএসআর এওয়ার্ড ২০২১’ অর্জন করেন। ইতোপূর্বে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিবার্তা ২৪.নেট কর্তৃক প্রকৌশলী হোসাইনকে অক্লান্ত কর্মবীর হিসেবে ‘বিবার্তা গুণীজন সম্মাননা ২০১৮’ পদকে ভূষিত করা হয়।

প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত আহাম্মদপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ইলেক্ট্রিকাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এ বি.এস.সি ডিগ্রি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আই.বি.এ. থেকে এম.বি.এ. এবং ডেনমার্ক থেকে Institutional and Human Resource Development (IHRD) বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালায় একাধিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন এবং তাঁর প্রকাশনা বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রকাশনায় প্রকাশিত হয়েছে যা সর্বমহলে অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছে।

এছাড়াও তিনি দেশ ও বিদেশে বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন। কর্মজীবনে প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন পেশা সংশ্লিষ্ট কাজে ৩৩টিরও বেশী দেশ ভ্রমণ করেছেন। বর্তমানে পাওয়ার সেল-এর মহাপরিচালক হিসেবে বিদ্যুৎখাতে বর্তমান সরকারের অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে যোগ্যতার সাথে একজন সুদক্ষ কারিগর এবং সরকারের গৃহীত রূপকল্প ‘সবার জন্য বিদ্যুৎ’ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইনের রাজনীতির হাতে খড়ি হয় ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে তিনি ১৯৭৯-৮০ সাল পর্যন্ত হাজীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন, ১৯৮১-৮২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা কলেজ দক্ষিণ ছাত্রাবাস এর আহ্বায়ক এবং ১৯৮৭-৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য এবং চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

সভায় গঠিত অন্য বিশেষজ্ঞ প্যানেলগুলো হলো জ্বালানি, যোগাযোগ, রেল, আইসিটি, আমার গ্রাম-আমার শহর এবং অবকাঠামো

প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি’র বিদ্যুৎখাত সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুর সবুরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।