মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সাংবাদিকতায় রতন স্মৃতি পদক পেলেন কালবেলার চাঁদপুর প্রতিনিধি অমরেশ দত্ত জয়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৩, ৯:৫৩ পিএম
সাংবাদিকতায় রতন স্মৃতি পদক পেলেন কালবেলার চাঁদপুর প্রতিনিধি অমরেশ দত্ত জয়
সাংবাদিকতায় বিশেষ সম্মাননা হিসেবে রতন স্মৃতি পদক পেলেন দৈনিক কালবেলার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি অমরেশ দত্ত জয়।
৩০ জুলাই রোববার দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আব্দুস সালাম হলে অতিথিরা তাঁর হাতে এই পদক তুলে দেন।
জানা যায়, একটি বেসরকারি টেলিভিশনের রংপুর ব্যুরো প্রধান ও বিএমএসএফ এর সহ-সভাপতি মাঠ পর্যায়ের চষে বেড়ানো সাংবাদিক ছিলেন রতন সরকার। তাঁর অকাল মৃত্যুতে বিএমএসএফ নামক জাতীয় এই সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন সরূপ সারাদেশে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে রতন স্মৃতি পদক দেয়া হয়। আর সেখানেই চাঁদপুরের মাঠ পর্যায়ের মেধাবী সাংবাদিক হিসেবে অমরেশ দত্ত জয়কে এই রতন স্মৃতি পদক দিয়ে সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়।
আরো জানা যায়, অমরেশ দত্ত জয় এক সময় দেশের ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা দৈনিক সংবাদ এর চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতো। বর্তমানে তিনি সুনামের সাথে দৈনিক কালবেলা এবং ওয়ালটন গ্রুপের মিডিয়া রাইজিংবিডি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কাজ করছেন। তাঁর শিক্ষাগত একাডেমিক ক্যারিয়ারে তিনি ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে এমবিএ শেষ করেন এবং বর্তমানে চাঁদপুর ‘ল’ কলেজের শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যয়নরত রয়েছেন।
বিএমএসএফ এর যুগে পদার্পণ উৎসবের এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল, বিএমএসএফ’র আইন উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট কাওসার হোসাইন, সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বাপ্পী সরদার, বিএমএসএফ’র প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফরসহ অন্যরা।
দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের নানা আয়োজনে বিএমএসএফ সংগঠনের সারাদেশের কয়েক’শ সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।