সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

কারাবন্দী আলেমদের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবীতে চাঁদপুরে খেলাফত মজলিসের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩, ৭:০০ পিএম
কারাবন্দী আলেমদের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবীতে চাঁদপুরে খেলাফত মজলিসের মানববন্ধন
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ সকল কারাবন্দী আলেমদের মুক্তি, নির্দলীয়- নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে জাতীয় নির্বাচন এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধের দাবীতে চাঁদপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৪ জুলাই শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী চলা এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিসের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে সভাপ্রতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা লিয়াকত হোসাইন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তারেক হাসানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল বাকী, সহ-সভাপতি মাওলানা আবুল বাশার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি নূরে আলম, শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নুরুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা লিয়াকত হোসাইন বলেন, সরকার মিথ্যা এবং সাজানো মামলা দিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে দীর্ঘ সময় ধরে কারাবন্দী করে রেখেছে। আল্লামা মামুনুল হক দেশ এবং ইসলামের পক্ষে আপোষহীন একজন জননেতা। সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে তার আপোষহীন বজ্রকণ্ঠ স্তব্ধ করে দিতে সরকার মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাবন্দী রেখেছে।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, শুধুমাত্র আল্লামা মামুনুল হকই নয়, এই সকার শত শত আলেম ওলামাকে বিনাদোষে জেলে আটকে রেখেছে। আলেমদের উপর নির্যতন নিপিড়ন করে যাচ্ছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে মাওলানা মামুনুল হকসহ সকল কারাবন্দী আলেমদের মুক্তি দাবী করছি। না হয় কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তৌহিদী জনতাই তাদের মুক্ত করে আনবে।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে দেশের সাধারণ মানুষ মানবেতর জীবন-যাপন করছে। সরকার যদি দেশ এবং জনগণকে সত্যিকার অর্থে ভালোবেসে থাকে, তাহলে দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতির লাগান টেনে ধরুন। নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন করার জন্য দেশের বিরোধী দলগুলো দাবী করে আসছে। আমরাও তাদের দাবীর সাথে একাত্মতা পোষণ করছি। আর রক্ত ঝরাবেন না। দেশের এবং মানুষের কথা ভেবে এ দাবী মেনে নিন। সরকারি দল হয়েও শান্তি সমাবেশের নামে যে অশান্তি সৃষ্টি করছেন, সেটি বন্ধ করুন। শান্তুি সমাবেশের নামে মানুষ হত্যা বন্ধ করুন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সহ-সাংগঠিন সম্পাদক হাফেজ আব্দুল কাদের, প্রচার সম্পাদক হাফেজ আবু ইউসুছ, শহর শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ নেয়ামত হোসাইনসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনের শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ চাঁদপুর জেলা শাখার অফিস সম্পাদক হাফেজ ক্বারী রশীদ আহমেদ। পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি এবং কারাবন্দি ওলামায়ে-কেরামদের মুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

হাজীগঞ্জে তাজ হোটেলে বাসি খাবার ও ক্ষতিকর রং, ধ্বংস করা হলো পচা খাবার : জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম
হাজীগঞ্জে তাজ হোটেলে বাসি খাবার ও ক্ষতিকর রং, ধ্বংস করা হলো পচা খাবার : জরিমানা

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে বাকিলা বাজারের তাজ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা এবং মুন্সি এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চাঁদপুরের উদ্যোগে মহামায়া, বাকিলা ও বলাখাল বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে ফ্রিজে বাসি খাবার বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ এবং খাবারে ক্ষতিকর রং ব্যবহারের অপরাধে তাজ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, অনুমোদনহীন নিম্নমানের এলইডি লাইট বিক্রির অপরাধে মুন্সি এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান জরিমানার আদেশ দেন। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার অঙ্গীকার করে। এ সময় পচা-বাসি খাবার ও ক্ষতিকর রং ধ্বংস করা হয়।

Model Hospital

অভিযানের অংশ হিসেবে বাজারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও পরিদর্শন করা হয় এবং ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ, দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও পণ্য বিক্রি না করা এবং অবৈধ মজুতদারি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি দল অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা এবং বাজারে অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।