শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে যুবদলের কাউন্সিল নিয়ে ক্ষোভ, এসময়ে আন্দোলন নাকি সম্মেলন!

বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩, ১:০৫ পিএম
ফরিদগঞ্জে যুবদলের কাউন্সিল নিয়ে ক্ষোভ, এসময়ে আন্দোলন নাকি সম্মেলন!
বিএনপি ঘোষিত এক দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষে সারা দেশে জোরদার আন্দোলন গড়ে তুলতে কেন্দ্র থেকে অবিরাম ঘোষণা পাঠানো হচ্ছে সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলায়। ঘোষিত কর্মসূচী বাস্তবায়নে ব্যস্ত বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা একদিকে কেন্দ্রের নির্দেশ অপরদিকে স্থানীয় পরিকল্পনা নিয়ে কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে গলধঘর্ম। কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নেতাকর্মীরা পড়ছেন নানামুখী হয়রানীতে। কারও ঘুম নেই। কেউ বাড়ি ছাড়া। কেউ খেয়ে না খেয়ে কর্মী-সমর্থকদের জোটবদ্ধ করতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কেউ দফায় দফায় বৈঠকে করে চলেছেন অবিরাম। নেতাদের নির্দেশ রয়েছে এ মূহুর্তে কোনো কোন্দলে জড়ানো যাবে না। প্রায় সকল নেতা-কর্মী এমনকি সমর্থকরা দাবী বাস্তবায়নে সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে এক মঞ্চে থাকার জন্য শপথ নিচ্ছে। ঠিক তখনই চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় দলের ভেতরে ল্যাং মারা ও টেক্কাবাজির খেলায় মেতে উঠেছে এক শ্রেণির নেতারা। দল ঘোষিত কর্মসূচী দূরে ঠেলে দিয়ে একটি গ্রুপ পদ-পদবী বাগিয়ে নিতে প্রায় তিন সপ্তাহ যাবত যুবদল এর সম্মিলনের নামে ব্যস্ত রয়েছে ও উঠেপড়ে লেগেছে। আন্দোলন রেখে তারা দলের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন ভোটের জন্য। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা দাবী তুলেছেন আত্মঘাতি এ সব কর্মকান্ড বন্ধ করা হউক।
এরই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় সকল কার্যক্রমে রাজপথে বেশ সক্রিয়। বিশেষ করে দলীয় কার্যক্রমে উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো ছিল।
তবে বিএনপির চলমান আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যেই ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন দলটির নেতাকর্মীরা। দলের ত্যাগি নেতাকর্মীদের প্রশ্ন এ মূহুর্তে আন্দোলন নাকি সম্মেলন কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য একটি পক্ষের দাবি ফরিদগঞ্জে বিএনপিরই একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থে আন্দোলন বাদ দিয়ে অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই সম্মেলন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এদিকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সম্মেলনকে ঘিরে জেলা যুবদলে পক্ষ থেকে প্রকাশিত কাউন্সিলের তালিকা নিয়েও অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নেতার্কর্মীরা জানান, গঠনতন্ত্র অনুযায়ি পৌর কমিটির প্রতিটি ওয়ার্ডে ২ জন করে কাউন্সিলরের তালিকা প্রকাশিত হলেও উপজেলার কমিটির ক্ষেত্রে ৩জন করে তালিকা প্রকাশ করে। যাহা গঠনতন্ত্র বিরোধি। গঠনতন্ত্র না মেনে এ তালিকা প্রকাশিত হয়েছে বলে ভোটররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
জানা যায়, গত ২৬ জুলাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল চাঁদপুর জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজীর স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করার জন্য যুবদলের গঠনতন্ত্র ৮(খ) ধারা অনুযায়ী সাবজেক্ট কমিটিতে কাউন্সিলর তালিকা করে জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে কাউন্সিলর তালিকা অনুমোদন করে ৪ আগস্ট ২০২৩ আপনার ইউনিটের সম্মেলনের আয়োজন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু ২৬ জুলাই ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আবেদনের প্রেক্ষিতে ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক আলহাজ্ব এম এ হান্নানের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে সম্মেলনের তারিখ ৪ আগস্টের পরিবর্তে ২৬ আগস্ট পুনঃনির্ধারণ করা হয়।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শরীফ মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, এখন আমাদের আন্দোলনে সংগ্রাম করার কথা, শুনেছি ২৬ এ আগস্ট উপজেলা যুবদলের সম্মেলন হওয়ার কথা। এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারবোনা। উপজেলা বিএনপির সমন্নয়ক এম এ হান্নান সাহেব ও জেলা যুবদলের নেতারা জানেন।
উপজেলা বিএনপির সাধারন সাধারন সম্পাদক মজিবুর রহমান দুলাল বলেন, এখন মূলত আমাদের সম্মেলনের সময় না। সারা দেশের ন্যায় সকলে মিলে আন্দোলন সংগ্রাম করার কথা। সারা দেশে কোথায়ও যুবদলের সম্মেলন হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের জানা মতে আর কোথাও হচ্ছেনা।
চাঁদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক বলেন, আমরা অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছি সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি উপহার দিতে। ইতোমধ্যে আমরা ব্যর্থ হয়েছি এখানে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে। যেন আন্দোলনকে কোনভাবে প্রশ্নবিদ্ধ না করে সেই লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সম্মেলন হবে কিনা আপনারা জানতে পারবেন। তৃণমূল বিএনপি’র নেতাকর্মীদের দাবি কাউকে খুশি করার জন্য এই মুহূর্তে এই সম্মেলন হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না আমরা কাউকে খুশি করার জন্য সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করি নাই। এর মধ্যে জোরালো আন্দোলন হলে সম্মেলনের বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান আকাশ বলেন, ফরিদগঞ্জে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত এম এ হান্নান সাহেব চাচ্ছেন তাই সম্মেলন হচ্ছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাই আমাকে ফরিদগঞ্জ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে সম্মেলন করে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন বলেন, এখন মূলত আমাদের সম্মেলনের সময় না। এখন দলের সকলে মিলে একত্রিত হয়ে আন্দোলন করার সময়। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারবো না।
এদিকে চলমান আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে যুবদলের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে মনে করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আজিজুর রহমান আজিজ। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সারাদেশের ন্যায় যেখানে সকলে মিলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা, এই আন্দোলন বাদ দিয়ে সম্মেলন করা বোকামির শামিল ও দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা হচ্ছে। এইটা এখন ছেলে খেলার মতো হয়ে গেছে।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নাছির পাটওয়ারী বলেন, এখন আমাদের সারাদেশের ন্যায় সকলে মিলে আন্দোলন ঝাপিয়ে পড়ার কথা। এখন কমিটি করার সময় না, এখন আন্দোলনের সময়। এখন যদি সম্মেলন করে কমিটি করতে যায় কেউ হেরে যাবে, আবার কেউ জিতে যাবে। যারা হেরে যাবে তাদের মনে ক্ষোভ থেকে যাবে আমি হতে পারলাম না এতো কষ্ট করলাম। এতে দেখা যাবে আন্দোলন করার জন্য যে প্রাণচাঞ্চলতা আছে মনের যে জোরালো ভূমিকা রাখার কথা সেটা হবেনা। এ কমিটি এখন না করে যখন সুষ্ঠু পরিস্থিতি তৈরি হবে তখন এ কমিটি করলে সবার জন্য মঙ্গল হবে।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’