শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহ সোলেমান লেংটার মাজার জিয়ারত শেষে দোয়া মাহফিল 

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৯:৪৮ পিএম
শাহ সোলেমান লেংটার মাজার জিয়ারত শেষে দোয়া মাহফিল 
মতলব উত্তরের বদরপুর শাহ সোলেমান লেংটার মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম।
 বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কর্মী-সমর্থক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নিয়ে শাহ সোলেমান লেংটার মাজার জিয়ারত করেন।
 পরে মাজার সংলগ্ন মাঠে সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব লোকমান আহমেদ মুন্সির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়ার পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম। দোয়া মাহফিল শুরু হওয়ার আধাঘণ্টা আগেই শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। এর মধ্যেই চলছে অনুষ্ঠান।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে শাহ সোলেমান লেংটার মাজার সংলগ্ন মাঠে। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেন, মুষলধারে বৃষ্টির শব্দকে ছাপিয়ে গেছে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ আর ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা’ স্লোগানে।
তিনি আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নে আমি সব সময় অগ্রভাগে ছিলাম আগামীতেও থাকবো। জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছি। আগামী নির্বাচনে আমি মনোনয়ন পেয়ে জয়লাভ করি তাহলে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো। এলাকায় বিনোদন ও খেলার মাঠ না থাকার কারণে যুবকেরা মোবাইল নির্ভর হয়ে পড়েছে, এ বিষয়টি আমাকে বেশ ভাবায়। বিভিন্ন খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের সংযুক্ত করা হলে তাদের মন ভালো থাকবে। আধুনিক ও ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলে বেকার সমস্যা সমাধান করা হবে। তাই আগামী দিনে দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশ বান্ধব ও ক্লিন পরিবেশের সাথে স্মার্ট দুটি উপজেলা গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য তিনি সকলের কাছে ভালোবাসা, দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন। তিনি বৃষ্টিকে উপেক্ষা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
আরো বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যকারী কমিটির সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, ইউনিয়ন আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন সরকার।
এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা নান্নু মিয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার আশফাক হোসেন চৌধুরী মাহি, কলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছোবহান সরকার সুভা, সুলতানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক খোকন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য মিঠু, সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন প্রধান, সহ-সভাপতি আবুল বাশার বাবুল, সহ-সভাপতি বাবুল মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম টিটু, যুবলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম আক্তার ঢালী, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াসিম নিলয় প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital