বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জনগণের সাথে আওয়ামী লীগের কোন সম্পর্ক নেই : চাঁদপুর জেলা বিএনপি সভাপতি মানিক 

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৭:১৭ পিএম
জনগণের সাথে আওয়ামী লীগের কোন সম্পর্ক নেই : চাঁদপুর জেলা বিএনপি সভাপতি মানিক 
বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিংর্শত মুক্তির দাবীতে চাঁদপুর জেলা বিএনপির আয়োজনে বিশাল  বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহরের চিত্রলেখা মোড়ে কাভার্ড ভ্যানের উপর অস্থায়ী মঞ্চে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। দেশের জনগণ ম্যাডাম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি চায়। জনগণ ম্যাডাম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চায়।
তিনি বলেন, নির্বাচন নির্বাচনের মতো হতে হবে।
আমাদের দাবি তিনটা। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, আমাদের নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। এই দাবি আদায়ে আমাদের রাজপথে থাকতে হবে। কেন্দ্রের নির্দেশ আসলেই সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে দাবি আদায় করবো। দাবিতো আদায় হয়েই গেছে এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে বলে দিতে চাই, আমরা জনগণের কথা বলি কিন্তু আওয়ামী লীগ জনগণের কথা বলে না। কারণ জনগণের সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই।
তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, প্রত্যেক মানুষ নিজেকে বাঁচাতে চায়। কিন্তু অনেক সময় ভুল করতে করতে সেই অবস্থা থাকেনা। আপনারা সেই অবস্থার দ্বার প্রান্তে। চ্যাংশনের কারণে আজকে জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত। গুম, খুন ও মিথ্যা মামলার কারণে  আমেরিকার কাছে বাংলাদেশের মাথা নিচু করা হয়েছে। আমরা আর এটা চলতে দিতে পারি না। আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছে টেক ব্যাক বাংলাদেশ।
চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির চৌধুরী ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খানের যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্যাহ সেলিম, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ হান্নান, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আনোয়ার বাবলু, সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন খান বাবুল, শরীফ মোঃ ইউনুস,  দেওয়ান মোঃ সফিকুজ্জামান, অ্যাড. মিজানুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিম উস সালাম, শহর বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেন মাঝি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হারুনূর রশীদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহির উদ্দিন বাবর, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক বাদল, মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হক জিতু।
এসময় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দলীয় নেতৃবৃন্দ খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital