বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় আওয়ামী লীগের কর্মীসমাবেশ

বিএনপি জোটরা ভিসানীতির কারণ দেখিয়ে নির্বাচনকে নৎসাত করতে চায় : ড. সেলিম মাহমুদ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১১:৩০ পিএম
বিএনপি জোটরা ভিসানীতির কারণ দেখিয়ে নির্বাচনকে নৎসাত করতে চায় : ড. সেলিম মাহমুদ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেছেন- কচুয়ায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব অরাজনৈতিক ব্যক্তির কাছে জিম্মি ছিল। আপনাদের নিয়েই আমার রাজনীতি। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার দরুন এ দেশের সকল মানুষ নিরাপদে আছে। যারা আওয়ামী লীগ করে তারা সেক্রিফাইস করতে জানে। আওয়ামী লীগ বেঁচে আছে তৃণমূলের কর্মীদের কারণে। কারণ, আপনাদের জীবন সেক্রিফাইস করে দেশের উন্নয়ন কাজ করছেন। আওয়ামী লীগের সাথে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের একটা মৌলিক পার্থক্য আছে। পার্থক্যটা এই, এই দলের হাত ধরেই বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনিই এই বাংলাদেশের স্রষ্টা। তিনি এই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর দলই আওয়ামী লীগ। এই জন্য আমাদের সাথে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের পার্থক্যটাই এই জায়গায়। আমরা নিজেরা ছেড়ে দিয়ে অন্যদের অধিকার প্রতিষ্ঠা দেই। অন্যদের অধিকারের জন্য আমরা নিজেরা সেক্রিফাইস করি। একের পর এক ষড়যন্ত্র চলছে। সকল ষড়যন্ত্র জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা নৎসাত করেছে।

বিএনপি বলছে, ভিসানীতির কারণে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিচলিত। আমরা বলতে চাই, কেউ বিচলিত নয়। কেবল আপনারাই বিচলিত। বিএনপি জোটরা ভিসানীতির কারণ দেখিয়ে নির্বাচনকে নৎসাত করতে চায়। তারা ষড় যন্ত্র করতে চায়। তাদেরকে পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, এই বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি বেঁচে থাকতে কোন ষড়যন্ত্র সফল হবে না। আজকের শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, তিনি আজকের একুশ শতকের বিশ^নেতা। আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের মনে রাখা উচিৎ, আমাদের কনফিডেন্স লেভেল, আমাদের মনোবল থাকবে আকাশচুম্বী। আমরা ক্ষমতায় আছি, থাকবো এবং আবার ক্ষমতায় আসবো।

তিনি শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার প্রসন্নকাপ হাফেজিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজনে কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সোহরাবা হোসেন সুমনের পরিচালনায় কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আইয়ুব আলী পাটওয়ারী, ঢাকা মহানগর শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জিএম আতিকুর রহমান, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া উর রহমান হাতেম, ইউপি চেয়ারম্যান এম. আখতার হুসাইন, ইসহাক শিকদার, আলী আক্কাস ও মনির হোসেন।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital