শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুৃলের শিক্ষার্থীদের সাংবাদিক সোহেল রুশদী’র অর্থায়নে স্কুল ড্রেস বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:২৪ পিএম
চাঁদপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুৃলের শিক্ষার্থীদের সাংবাদিক সোহেল রুশদী’র অর্থায়নে স্কুল ড্রেস বিতরণ
চাঁদপুর ঘোলঘরস্থ  বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য সাংবাদিক সোহেল রুশদী’র অর্থায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হয়েছে।।
৩অক্টোবর (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় চাঁদপুর ঘোলঘরস্থ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে চাঁদপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রধান অতিথি চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ওআইসিটি) মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্যে বলেন, প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজের অংশ, তাদেরকে সম্পদে পরিনত করতে হবে। আজকে এখানে উপস্থিত শিশুরা অনেক মেধাবী। এই শিশুরা ছবি একে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার গ্রহন করেছে। তাদের সুপ্ত প্রতিভার গুন রয়েছে। এ বিশেষ প্রকৃতির শিক্ষার্থীদের যারা গাইড দেয় সে সকল শিক্ষকদের ধন্যবাদ। বিদ্যালয়টির জন্য স্থায়ী জমির প্রয়োজন।  চাঁদপুর সদরের কাছাকাছি স্থানে কোন জমি থাকলে দেওয়া যেতে পারে। চাঁদপুর ইউএনও ও সদর ওসিলান্ড একটি উপযুক্ত জায়গা দিতে পারবেন আমি আশা করছি। আপনারা সদর ইউএনও কে মনে করিয়ে দিবেন জায়গার বিষয়টি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তনয়া পুতুল  বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন শিশুদের জন্য কাজ করছেন। আজকে যিনি স্কুল ড্রেস দিয়েছে সাংবাদিক সোহেল রুশদী সাহেবকে অনেক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ। যাদের স্কুল ড্রেস নাই, তিনি তাদের ড্রেস দিয়েছেন। সাংবাদিক সোহেল রুশদীকে অনুসরণ করে সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসতে পারে। সরকারে পক্ষ থেকে যদি কোন সুযোগ সুবিধা আসে, তাহলে আমি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের  মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করার চেষ্টা করবো।
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা বিচিত্রা সাহার পরিচালনায় বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত।
তিনি বক্তব্যে বলেন, তাদের এখন আর প্রতিবন্ধী বলা হয় না, তারা স্পেশাল চাইল্ড। সবাই স্পেশাল চাইল্ড। আজকে যারা আমাদের সামনে বসে আছে সবাই স্পেশাল। এ স্পেশাল শিশুরাও আমাদের দেশের সম্পদ। আমি আশা করছি এ বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে করে স্পেশাল চাইল্ড স্কুল করবে। আজকে যিনি ড্রেস দিচ্ছেন, এটা ওনার একটা মানবিক কাজ ও মহৎ কাজ। আমি উপজেলা প্রশাসন থেকে এ বিদ্যালয়ের জন্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো। বিদ্যালয়ের জন্য ১৫শতক ভূমি বরাদ্দের বিষয়ে সর্বোচ্চ চেস্টা করবো।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।
তিনি বক্তব্যে বলেন, আমি এ বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের স্কুৃল ড্রেস দিচ্ছি। আমি অনুভব করছি, তাদের ড্রেস লাগবে, তাই এখানেও ড্রেস দিয়েছি। এ বিদ্যালয়টি চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ ইসমাইল তপাদার কাঞ্চন সাহেব প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের প্রধান দাবি ছিল জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে বিদ্যালয়টির জন্য ১৫শতক ভূমি। আমি এ ব্যাপারে সদর ইউএনও  ও সদর এসিল্যান্ড মহোদয়েরর সু-দৃষ্টি কামনা করছি। উনাদের কাছে যে কোন বিষয় নিয়ে গেলে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করে। বিদ্যালয়টি সংস্কারে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর সমাজসেবা এর পক্ষ থেকে সহযোগিতা করছে। আমাদের ডিসি মহোদয়ও বিদ্যালয়টিকে সার্বিক সহযোগিতা করছেন।
তিনি বলেন, এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি) মোস্তাফিজুর ররহমান মহোদয় খুবই মানবিক মানুষ। তিনি জনগণের সেবায় কাজ করছে। জনপ্রশাসন এখন জনবান্ধবে তৈরি হয়েছে। এজন্য ওনাদের জনপ্রশাসন পদক দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবন্ধীরা সমাজের অংশ। তারা অনেক মেধাবী, তারা আমাদের কাছে বোঝা নয়, সম্পদ। তারা ছবি আঁকা, খেলাধূলা সব কিছুতেই মেধাবী। আমাদের এখানে প্রচুর সার্পোট দরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সুবিধা সম্পন্ন শিশুদের জন্য কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর তনয়া সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিস্টিকদের নিয়ে কাজ করছেন।
শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিমা রানী ভৌমিক সহ শিক্ষকবৃন্দ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে  আরো বক্তব্য রাখেন, সুইড বাংলাদেশের মহাসচিব অভিভাবক বীর মুক্তযোদ্ধা  মজিবুর রহমান, সুইচ বাংলাদেশ চাঁদপুর শাখার সদস্য সাহিদুর রহমান, বিদ্যালয়ের অভিভাবক বীর মুক্তিযোদ্ধা সানাউল্ল্যাহ খান, অভিভাবক আয়শা বানু।
অনুষ্ঠানে এ পর্যায়ে মোট ২৫জন অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ করেন প্রধান অতিথি চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোস্তাফিজুর রহমান, বিশেষ অতিথি চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
শুরুতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোস্তাফিজুর রহমান, বিশেষ অতিথি চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত, অনুষ্ঠানের সভাপতি বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী সহ অন্যান্য অতিথি গণকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিমা রানী ভৌমিক সহ শিক্ষকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়েন সিনিয়র সহকারি শিক্ষিকা আরশেদা আক্তার, সিনিয়র সহকারি শিক্ষিকা বীনা মজুমদার, সিনিয়র সহকারি শিক্ষিকা বিচিত্রা সাহা, সহকারি শিক্ষিকা মোঃ মোরশেদ আলম খান, শিক্ষা সহকারি ছায়েরা বেগম, শিক্ষা সহকারি মোঃ শাসছুদ্দিন, শিক্ষা সহকারী নাছির প্রধানিয়া,অভিভাবক,বিপুল সংখ্যক প্রতিবন্ধী শিক্ষাথী ও সাংবাদিকসহ অন্যান্যরা।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’