বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জের রাজারগাঁও-এ সম্পত্তি নিয়ে গাছের চারা কর্তন করে মারধরের অভিযোগ

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৩, ১১:০৫ পিএম
হাজীগঞ্জের রাজারগাঁও-এ সম্পত্তি নিয়ে গাছের চারা কর্তন করে মারধরের অভিযোগ
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের মেনাপুরে ইউসুফ বকাউল সহ আরো ৪-৫ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই বাড়ির মোহাম্মদ আলী বকাউলের লাগানো গাছ কর্তন ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় একজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী বকাউল।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ইউনিয়নের মেনাপুর গ্রামের বকাউল বাড়ির মোহাম্মদ আলীর সম্পত্তিতে তার ছেলে নেছার আহমেদ কয়েক বছর আগে কিছু ফলজ গাছ লাগান। কিন্তু পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী অংশীদার একই বাড়ির বাসিন্দা মৃত জুনাব আলীর অংশ দাবী করে বাঁধা দেন তার ছেলেরা। এক পর্যায়ে গত শনিবার (১৪ অক্টোবর) সকালে মোহাম্মদ আলীর ছেলে নেছার আহমেদের লাগানো জীবন্ত গাছগুলো কেটে সাবার করে দেন মৃত জুনাব আলীর ছেলে ইউসুফ বকাউল, কামাল বকাউল, আব্দুস সাত্তার বকাউলের ছেলে আলম বকাউল, কামাল বকাউলের ছেলে রাহুল বকাউল ও রাতুল বকাউল। এ নিয়ে সামাজিক মহলে নিন্দা প্রকাশ করেন অনেকেই। তারা বলেন, মানুষ মানুষের সাথে সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা থাকতেই পারে। কিন্তু জীবন্ত গাছগুলো কি অন্যায় করেছে। গাছগুলো কেটে ফেলা মোটেও ঠিক হয়নি।
ঘটনার দিন বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোহাম্মদ আলী বকাউল এক পা হারিয়ে বৃদ্ধ জীবন নিয়ে চলাচল করতে কস্ট হচ্ছে খুবই। তার ছেলে নেছার আহমেদও ব্যবসার সুবাদে রাজারগাঁও বাজারেই থাকা হয় দিনের বেশিরভাগ সময়। মৃত জুনাব আলীর ছেলেরা সংখ্যাঘনিষ্ট হওয়ায় তাদের সাথে কুলিয়ে উঠতে পারেন না এই ভুক্তভোগী পরিবারটি। তার প্রমাণ হিসেবে সংবাদকর্মীরা যখন ঘটনাস্থলে যায়, তখন সাংবাদিকদের সামনেই বেশী বাড়াবাড়ি করলে মৃত জুনাব আলীর ছেলেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ অসহায় পরিবারটিকে দেখে নেয়ার হুমকি প্রদান করেন।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী বকাউলের ছেলে নেছার আহমেদ বলেন, আমাদের সম্পত্তিতে আমরা কিছু গাছ লাগাই। পরে তারা আমাদেরকে গাছগুলো উঠিয়ে নিতে বললে আমরা এলাকার কয়েকজনকে জানালে এবছর তারা পানি কমলে জায়গা মাপ দিয়ে যে পাবে তাকে সীমানা নির্ধারণ করে দেয়ার সিদ্ধান্তে মেনে নেয়ার পর শনিবার জুনাব আলীর ছেলেরা গাছগুলো কেটে ফেলে। আমার মা বাঁধা দিতে গেলে তাকে মারধর করেন এবং তিনি বর্তমানে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এদিকে মৃত জুনাব আলীর এক ছেলে বলেন, সম্পত্তি নির্ধারণ না করে নেছার আহমেদ আমাদের সম্পত্তিতে গাছ লাগিয়েছে। তাদেরকে কয়েকবার বলেছি তারা কোন কর্ণপাত করেন নি। তাই আমরা গাছগুলো কেটে ফেলেছি। তবে গাছগুলো কাটা আমাদের মোটেও ঠিক হয়নি।
এ বিষয়ে রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর কাজী এ প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনারদিন আমি ঢাকায় ছিলাম। ভুক্তভোগীরা আমাকে ফোনে বিষয়টি জানিয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital