বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রামপুরে মিথ্যা মামলা-হামলা ও লুটপাটের প্রতিবাদে ছোট সুন্দরবাসীর মানববন্ধন

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৩, ১০:২০ পিএম
রামপুরে মিথ্যা মামলা-হামলা ও লুটপাটের প্রতিবাদে ছোট সুন্দরবাসীর মানববন্ধন
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের ছোটসুন্দর গ্রামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, অন্তঃসত্ত্বা পান্না বেগমসহ  বাড়ির নিরীহ মানুষের উপর হামলা, ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ছোটসুন্দর  এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ইউনিয়নের ছোটসুন্দর এ. আলী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন পশ্চিম পাশে আলগী রাজারহাট বাজার সড়কের পাশে নারী পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের নিকট অনুরোধ জানান  এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে প্রতিবাদকারীরা বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে নিহত দুদু গাজীর পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে।
গত শনিবার সকালে বিদ্যুতের লোকজন আমাদের বসতঘরে মিটার সংযোগ দিতে আসলে নিহত দুদু গাজীর ছেলে মনির গাজী বাঁধা দিলে দুই পক্ষের মাঝে বাকবিতন্ডা তৈরি হয়। এর মাঝেই হঠাৎ করে প্রায় ১২০ ফুট দূরত্বে রাস্তার পাশে দুদু গাজী জোরে কথা বলার সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উঠিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দোকানে নিয়ে বিছানায় রাখে। পরে অবস্থার অবনতি দেখে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরদিন বিকেলে নিহত দুদু গাজীকে মাটি দেয়ার পর তারা আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ঐদিন রাতে এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও আমাদের জান মালের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমাদের অনুরোধে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ২জন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গত সোমবার সকাল ৬টায় তারা চলে যাবার পর কবর জিয়ারতের কথা বলে বাড়ির ভিতরে ঢুকে মনির, রুবেল, মোহাব্বত, জুয়েল, হারুন, ভুলু, নানু, জাকির সহ প্রায় ৩০/৪০জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করে আমাদের উপর হামলা চালান। আমরা তখন ঘুুুুমন্ত অবস্থায় ছিলাম। তাদের হামলার আওয়াজ শুনে যে যেভাবে পারছি ঘর থেকে বের হয়েছি। এসময় মনির ও মতব্বত ৭ মাসের অন্তঃসত্বা পান্না বেগমকে চুল ধরে টেনে হিছড়ে লাথি কিল ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। তাকে আমরা মাটিতে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করি।
এ সময় চিৎকার শুনে পাশবর্তী লোকজন এসে তাঁকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। গর্ভবতী পান্না বেগম হাসপাতালে মূমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, পেটে থাকা বাচ্ছার অবস্থা আশংকা জনক। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।
এর আগে উক্ত ঘটনায় গত রবিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শেখ মুহসীন আলম, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আল মামুন পাটওয়ারী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital