বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে শিক্ষার আলোয় ফিরেছে ঝরে পড়া ২১০০ শিশু

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩, ১০:২৪ পিএম
মতলব উত্তরে শিক্ষার আলোয় ফিরেছে ঝরে পড়া ২১০০ শিশু

মতলব উত্তরে ৭০টি স্কুলে ঝরে পড়া ও কখনো স্কুলে যায়নি এমন ২ হাজার ১০০ শিশু শিক্ষার্থী শিক্ষাগ্রহণ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম (পিইডিপি-৪) প্রকল্পের আওতায় উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মতলব উত্তর উপজেলার ৭০টি স্কুলে গ্রামগঞ্জের খেটে খাওয়া অসহায় পরিবারের যেসব শিক্ষার্থী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝড়ে পড়া কিংবা কখনও বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়নি ৮-১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত তাদের লেখাপড়া শিখানো হচ্ছে।

এসব শিক্ষার্থীদের সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা এবং বিকালে ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পাঠদান করানো হচ্ছে। এই সব শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার প্রতিমাসে ১২০ টাকা হারে উপবৃত্তি চালু রেখেছেন। উপজেলার ৭০ উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে ৩০ জন করে শিক্ষার্থী রয়েছে। এদের প্রতিমাসে বিনামূল্য খাতা, পেনসিল, কলম, রাবার দেওয়া হয়।

এছাড়াও প্রতিবছর স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ প্রদান করা হয়।

Model Hospital

এই সব শিশু শিক্ষার্থীদের গান, ছড়া, কবিতা, গল্প, খেলাধুলা ও ব্যায়ামের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করছে। এসব উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণিকক্ষগুলো হরেক রকমের কারুকার্যে সাজানো হয়েছে যাতে করে শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়। শিশুরা খেলাধুলা ও বিনোদনের ছলে শিক্ষা গ্রহণ করছে।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর উপজেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফারুক হোসেন বলেছেন, মতলব উত্তর উপজেলায় ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ৩০ জন করে শিক্ষার্থী রয়েছে। যাদের বয়স ৮-১৪ বছর। এসব শিশু শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ঝড়েপড়া কিংবা কখনো বিদ্যালয় হয়নি এমন শিক্ষার্থী। এছাড়াও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীও রয়েছে এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ঝড়ে পড়া ও প্রাথমিক স্কুল কখনো ভর্তি হয়নি এমন শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য গ্রামগঞ্জের অসহায় দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের সুশিক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। এতে করে নিরক্ষরমুক্ত জাতি গঠনে বলিষ্ট ভূমিকা রাখবে।

মতলব উত্তর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদ্যালয় বহির্ভূত ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া এবং আনুষ্ঠানিক শিক্ষার মূলধারায় নিয়ে আসায় নীড় সেবা সংস্থা নিঃসন্দেহে একটি প্রশাংসামূলক কাজ করে চলছে। তাদের এই ব্যতিক্রমী কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা শতভাগ মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করতে আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে বলে জানান এই শিক্ষা কর্মকর্তা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital