বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পিতার স্বীকৃতি পেলেও বাড়ীতে ঠাঁই হয়নি চাঁদপুরের সোহাগের

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৩, ৮:১৮ পিএম
পিতার স্বীকৃতি পেলেও বাড়ীতে ঠাঁই হয়নি চাঁদপুরের সোহাগের
পিতার স্বীকৃতি পেলেও নিজের প্রাপ্য হক বুজে পেতে বাড়ীতে ঠাঁই পাচ্ছেনা বলে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন চাঁদপুর সদরের আশিকাটির ৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ রালদিয়ার বাসিন্দা মোঃ সোহাগ খান। আর এরজন্যে সোহাগ দায়ী করছেন তার সৎ মা খোরশেদা বেগম এবং স্ত্রী মরিয়ম বেগমের নানান ষড়যন্ত্রকে।
৪ নভেম্বর শনিবার দুপুরে আশিকাটি ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে সোহাগ কাঁদতে কাঁদতে এসব কথা তুলে ধরেন।
সোহাগের দাবী, ছোটবেলায় লালন পালন করে বড় করার পর নিজের মৃত্যুর আগেই আদালতের আইনী প্রক্রিয়ায় সোহাগকে নিজের পুত্র বলে স্বীকৃতি দেয় দক্ষিণ রালদিয়ার মোঃ আবুল হোসেন খান। যে কাগজটি স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছেও দেয়া হয়েছে। আর এই কাগজটি থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি মানতে নারাজ মোঃ আবুল হোসেন খানের ২য় স্ত্রী খোরশেদা বেগম।
সোহাগ খান বলেন, আমি আমার স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে তালাকের কাগজপত্র পাঠানো সত্ত্বেও সে আমার সৎ মায়ের কাছে থাকছে। আর তারা দুজনে আমার পিতার মৃত্যুর পর আমার সম্পত্তি ও টাকা পয়সা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আমি আমার পৈতৃকসূত্রে মালিকানার সম্পত্তি বুজে পেতে এবং আমার যাবতীয় টাকা পয়সা বুজে পেতে সবার নিকট সহায়তা চাই।
সোহাগ আরও বলেন, আমি নানা সময়ে আমার উপার্জিত অর্থ ও ব্যবসায়িক কাজের প্রায় ১৮ লাখ টাকা আমানত হিসেবে আমার মা খোরশেদা বেগম নামীয় চাঁদপুরের সোনালী ব্যাংকের একাউন্টে রাখি। যেখানে সন্তান হিসেবে নমিনী ছিলাম আমি সোহাগ খান। কিন্তু আমি এক পর্যায়ে নানান ধারদেনায় জড়িয়ে গেলে আমার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে সাথে নিয়ে গভীর চক্রান্তের অংশ হিসেবে আমার নাম নমিনী থেকে আমার মা বাদ দিয়ে দেন। আর সেখানে নমিনীতে মরিয়ম বেগমের নাম দেয়া হয়, যা সম্পূর্ণ বেয়াইনী। তাই ন্যায় বিচার পেতে আমি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও এলাকার গণমান্যদের সহায়তা চাইছি।
এ বিষয়ে আশিকাটির ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাসির খান বলেন, আমি সোহাগের চাচা। সোহাগের ওইসব কাগজপত্র আমিসহ এলাকার অনেকেই পেয়েছি। তার বউকে তালাকের বিষয়টিসহ তার সম্পত্তি পাবার সকল বিষয় আমরা স্থানীয়রা বসে দ্রুতই একটা মিমাংসার উদ্যোগ নিবো।
এদিকে সোহাগের অভিযোগ প্রসঙ্গে মরিয়ম বেগম বলেন, তালাকের কাগজ হাতে পেয়েছি। তবে আমি এমনি এমনি এ বাড়ী থেকে যাবো না। আমার ২টি ছোট ছোট ছেলে সন্তান রয়েছে। এলাকার মানুষকে নিয়ে সোহাগ সামনে আসুক। এরপর সমাজের লোকের সিদ্ধান্ত নিয়ে যা কপালে আছে তা হবার হবে।
এ বিষয়ে খোরশেদা বেগমের বক্তব্য নিতে চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital