শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

দ্বাদশের নৌকায় চড়তে চান চাঁদপুরের ৫টি আসনে ৫২ প্রার্থী

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩, ৬:৩০ পিএম
দ্বাদশের নৌকায় চড়তে চান চাঁদপুরের ৫টি আসনে ৫২ প্রার্থী

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন ও জমা দেয়া হয়েছে গত ১৮ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। জাতীয় সংসদের ৩শ’ আসনে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেতে সারাদেশ থেকে ৩ হাজার ৩শ’৬২ জন সম্ভাব্য প্রার্থী আবেদন করে। তারমধ্যে চাঁদপুর জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে ৫২ জন নৌকা প্রতীকের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করে জমা দেয়। হয়তো আগামী দু’এক দিনের মধ্যে দেশের সকল আসনের চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হবে। তবে এবার শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ বলতে পারবেনা কে কোন আসনে মনোনয়ন পাচ্ছে।

চাঁদপুরের ৫টি আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে কে কোন আসনে দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন। ইতিমধ্যে চাঁদপুরের ৫টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়ন বোর্ডের নজরে আসতে বিভিন্ন চেষ্টা তবদির চালিয়ে যাচ্ছেন। এবার জেলার ৫টি আসনে ৫২ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করে জমা দিয়েছে।

★ চাঁদপুর-১(কচুয়া) আসনে ৫জন দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন। তারা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান সংসদ সদস্য ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ গোলাম হোসেন, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, আইইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশল পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শিবলু অবসরপ্রাপ্ত জজ আমিনুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন টিটু।

★ চাঁদপুর-২( মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) আসনে ১২ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন।তারা হলেন সাবেক মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম,বর্তমান সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন রুহুল, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মন্জুর আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সহ সভাপতি এডভোকেট জেসমিন সুলতানা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সদস্য এম ইসফাক আহসান সিআইপি, জাকিয়া সুলতানা শেফালী, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খোকা পাটোয়ারী, রেল শ্রমিক লীগ নেতা এডভোকেট হুমায়ুন কবির, নায়েমের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. লোকমান আহমেদ।

Model Hospital

★ চাঁদপুর-৩ ( সদর ও হাইমচর) আসনে ৬জন দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন। তারা হলেন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ড. শামছুল হক ভূঁইয়া, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন মারুফ, মৎস্যজীবিলীগের কেন্দ্রীয় নেতা রেদোয়ান খান বোরহান।

★ চাঁদপুর-৪( ফরিদগঞ্জ) আসনে ১৭জন দলীয় মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন। তারা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি ড. মোহাম্মদ শামসুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু সাহেদ সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক ভিপি ডা. হারুন অর-রশিদ সাগর, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান, আওয়ামী লীগের কাতার শাখার সহ-সভাপতি সিআইপি জালাল আহমেদ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সিনিয়র সদস্য মহিউদ্দিন মজুমদার খোকা, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হারিছ হাসান সাগর, আওয়ামী লীগ নেতা আমির আজম রেজা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফায়েল আহমেদ ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা হাসানুজ্জামান তারেক, আওয়ামী লীগ নেতা মুকবুল আহমেদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ডা. বদরুন নাহার ভূঁইয়া, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুন্নাহার অনি, হকার্স লীগ সাবেক নেতা লিয়াকত হোসেন রনি, চিকিৎসক নেতা ডা.মোস্তফা হোসেন ও আওয়ামী লীগ নেতা এমরান চৌধুরী।

★ চাঁদপুর-৫( হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি) আসনে ১১জন মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন। তারা হলেন , বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অব.)রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুর জাহান মুক্তা, আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মামুন আলম, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, পাওয়ারসেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, জেলা আওয়ামী লীগে উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার শফিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ এমএ আউয়াল মজুমদার, হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সদ্য পদত্যাগকৃত চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী মো. মাঈনুদ্দিন, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সদস্য সফিউল আলম ফিরোজ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী সেচ্ছা সেবক লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন এবং সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital