শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে মাদক ব্যবসায়ী সহ ৫ আসামি আটক

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৬:১৮ পিএম
শাহরাস্তিতে মাদক ব্যবসায়ী সহ ৫ আসামি আটক
শাহরাস্তিতে ১ মাদক ব্যবসায়ী এবং জিআর পরোয়ানাভুক্ত ৪ জনসহ ৫ আসামিকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃত আসামিদেরকে পুলিশ এসকর্টের মাধ্যমে চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,  চাঁদপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম দিক-নির্দেশনায়, অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহরাস্তি মডেল থানার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের  তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) কিশোর বড়ুয়া সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি চৌকস দল এ  অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াছিন মিয়া (২৪) নামে ওই মাদক ব্যবসায়ীকে ৫শ’ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে।
ধৃত মোঃ ইয়াছিন মিয়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সুয়াপাড়া তনার বাড়ির ইসমাইল হোসেনের পুত্র। পুলিশ ওই সময় অভিযুক্ত ইয়াসিন থেকে এ মাদক জব্দ শেষে তাকে আটক করে।
পুলিশ আরো জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে।
এ ব্যাপারে  শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ ধারা-৩৬(১) এর ১৯(ক)একটি মামলা অজু করে, যার নং-০৪।
এদিকে বুধবার পুলিশের অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত মোঃ আবুল কাশেম মোল্লা নামে ১ আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। ওইদিন এএসআই (নিঃ) মোঃ মনিরুল হক সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযানে পৌরসভা মেহের এলাকা থেকে মৃত ইসমাইল হোসেন মোল্লার পুত্র মোহাম্মদ আবুল কাশেম মোল্লাকে পুলিশ আটক করে।
তার বিরুদ্ধে শাহরাস্তি থানায় জিআর- ৩৩/২০১৯ এর  মামলা নং-০৩ রুজু ছিল।
অপরদিকে মঙ্গলবার  জিআর পরোয়ানাভুক্ত মনির হোসেন প্রকাশ মনু মিয়া এবং মমতাজ বেগম নামে ২ জন আসামীকে আটক করা হয়।
ওইদিন এসআই (নিঃ)মোহাম্মদ ভুলু মিয়া, এএসআই (নিঃ)মোঃ হেলাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ  এ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত  আসামিদেরকে আটক করে।
আটক হওয়া টামটা দক্ষিণ ইউপির দোপল্লা তালুকদার বাড়ির হাবিবুর রহমানের পুত্র মোঃ মনির হোসেন প্রকাশ মনু মিয়া বিরুদ্ধে জিআর-২৮৫/২১ (হাজীগঞ্জ), ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ১০ (ক)/৪১ একটি মামলা রুজু ছিল।
একইভাবে শাহরাস্তি পৌরসভার সুয়াপাড়া চৌধুরী বাড়ী ওরুপে গাজী বাড়ীর মৃত সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে জিআর-৪৬/১৯ (শাহরাস্তি), ধারা-মাদক ৩৬ (১) এর ১০ (ক)/৪১ মামলার রুজু ছিল।
এদিকে গত শনিবার শাহরাস্তি থানা পুলিশ  পূর্বের একটি মামলায় ০১ (এক) জন আসামীকে আটক করে।
ওইদিন শাহরাস্তি থানার এসআই/মোঃ নুরুল আনোয়ার সঙ্গীয় ফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।
শাহরাস্তি উপজেলার শুচিপাড়া দক্ষিণ ইউপি’র নরিংপুর গ্রামের মৃত হেদায়েতুল্লাহ পুত্র মামলার ০২নং এজাহারনামীয় আসামী সুলতান আহাম্মদ প্রকাশ উকিলকে ৫০আটক করে।
তার বিরুদ্ধে শাহরাস্তি থানায় পেনাল কোড এর ধারা ১৪৩/ ৪৪৭/ ৩২৩/ ৩২৫/৩০৭/৩৭৯/ ৩৫৪/৫০৬ (২)  এর মামলা নং-০৫  রুজু ছিল।
এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত মামলার আসামিদেরকে পুলিশ আটক করে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital