১৭ মাসে কোরআন হেফজ করে সুম্মিয়া আলম সারা’র চমক
মাত্র সাড়ে ১৭ মাসে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ‘জিন-নূরাইন মহিলা মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের’ এক ছাত্রী।

ওই ছাত্রী হলেন- সুম্মিয়া আলম সারা (১২)। সে চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার মকিমাবাদ এলাকার পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ শুকুর আলম শুভ ও মিসেস লুনা আলমের মেয়ে।

মাদরাসার সূত্রে জানা গেছে, সুম্মিয়া আলম সারা’র কোরআন হেফজ করতে সময় লেগেছে মাত্র সাড়ে ১৭ মাস। এমনও ঘটেছে যে সারা একদিনে ১ পাড়া সবক দিয়েছেন।

জিন-নূরাইন মহিলা মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ওস্তাদ জানান, সুম্মিয়া আলম সারা তার মেধা ও কঠোর পরিশ্রমে তা সম্ভব করেছে। স্বাভাবিকভাবে অন্যদের তিন/চার বছর বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরও বেশি সময় লেগে যায়, সেখানে সুম্মিয়া আলম সারা অল্প সময়ে পুরো কোরআন মুখস্থ করেছে।

তিনি জানান, যারা পবিত্র কোরআন মুখস্ত করেছে আমি তাদের সার্বিক সফলতা কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা তাদের দ্বীনের জন্য কবুল করুন।
সুম্মিয়া আলম সারা বাবা শুকর আলম শুভ বলেন, আমার ১ ছেলে ও ১ মেয়ে। সবার বড় সারাকে হাফেজা বানানোর ইচ্ছে ছিলো পরিবারের। এত তাড়াতাড়ি সে পুরো কোরআন মুখস্ত করে ফেলবে তা কখনো ভাবিনি।
তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে এতো কম সময়েই সে কোরআন মুখস্থ করতে পেরেছে। তাই আমরা সবাই আনন্দিত। আমার ছোট ছেলে আবুদুল্লাহ্ আলম সাদকেও হাফেজ বানাবো নিয়ত করেছি। ইতিমধ্যে সে নাজেড়া শেষ করছে। সারা যাতে কোরআন ও হাদিসের খেদমত করার পাশাপাশি দেশ ও জাতির খেদমতে নিজেকে উৎসর্গ করে সেই দোয়া করি।
সুম্মিয়া আলম সারা’র মা লুনা আলম বলেন, আমার মেয়ে কম সময়ে কোরআন মুখস্থ করেছে এতে আমরা আনন্দিত। তারও ইচ্ছে ছিল কম সময়ে কোরআন মুখস্থ করবে, চেষ্টায় সে সফল হয়েছে। সারা যাতে জীবনে সফল হতে পারে তাই সবার কাছে দোয়া চাই।
প্রসঙ্গত, জিন-নূরাইন মহিলা মাদ্রাসার হেফজ বিভাগ থেকে এক সাথে ৬ জন ছাত্রী পুরো কোরআন মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছেন।








