বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে একরাতে ৭ দোকান ও ১ বসত ঘরে চু’রি, জনমনে আতঙ্ক

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪, ৭:৪৬ পিএম
ফরিদগঞ্জে একরাতে ৭ দোকান ও ১ বসত ঘরে চু’রি, জনমনে আতঙ্ক
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে একরাতে ৭টি দোকান ও ১টি বসত ঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। একরাতে একসঙ্গে এতো দোকান ও বসত ঘরে চুরির ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন দোকান মালিকসহ স্থানীয়রা। এরমধ্যে বেশ কয়েকটি দোকান থেকে নগদ টাকাসহ মালামাল নিয়ে গেছে চোরেরা।
জানা গেছে, রোববার (২৯ জানুয়ারী) রাতে এসব দোকানের সাটার ভেঙে এবং ঘরের মুল পটক ভেঙে ঘরে ঢুকেছে চোরেরা। এক সঙ্গে এতোগুলো দোকান ও বসত ঘরে এমন চুরির ঘটনা নাড়া দিয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম।
উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌরাঙ্গা এলাকার রানার বাড়ি নামক স্থানের নেছারী মধু ঘর, আবুল খায়ের ডিসের কন্ট্রোল রুম, রাসেদ ষ্টোর, সাহাদাত হোটেল, মিজান ষ্টোর। চৌরাঙ্গা নূরানী মাদ্রাসার সামনের সৈয়দ আহাম্মদ ষ্টোর, শরীফ ষ্টোর ও শেখ ফরিদ মজুমদারের বসত ঘরে চুরি হয়েছে।
এরমধ্যে ডিসের কন্ট্রোল রুম থেকে ৪৫ হাজার টাকা, রাসেদ ষ্টোর থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা ও নেছারী মধু ঘর থেকে ২ হাজার টাকা, সাহাদাত হোটেল থেকে ১ মোবাইল ফোন, শেখ ফরিদ মজুমদারের বসত ঘর থেকে ২ টি কম্বলসহ ৫ টি দোকানের সিগারেট, তেলসহ মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল।
স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা জানান, একরাতে এত গুলো দোকান ও বসত ঘরে চুরির ঘটনায় আমার আতংকে রয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।  ভুক্তভোগীরা মামলা দায়ের করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। তাছাড়া আমাদের পক্ষ থেকেও চোর সনাক্ত করা এবং আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।