শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে ইউপি নর্বিাচনে নৌকা ৬, বদ্রিোহী ২ ও স্বতন্ত্র-৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ৫:৪৭ এম
হাজীগঞ্জে ইউপি নর্বিাচনে নৌকা ৬, বদ্রিোহী ২ ও স্বতন্ত্র-৩

সাইফুল ইসলাম সিফাত : হাজীগঞ্জ উপজলোর ১১ টি ইউনয়িন পরষিদ নর্বিাচনে বাংলাদশে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকরে চয়োরম্যান র্প্রাথীদরে মধ্য ৬ জন নর্বিাচতি হয়ছেনে। বাকী ৫ ইউনয়িনে আওয়ামীলীগ-বএিনপি বদ্রিোহী র্প্রাথীরা আনারস ও ঘোড়া প্রতীকে বজিয়ী হয়ছেনে।

রববিার (২৬ ডসিম্বের) সকাল ৮ টায় থকেে বকিলে ৪ টায় র্পযন্ত বরিতহিীনভাবে একটানা ভোট গ্রহন চল। অনুষ্ঠতিব্য ইউপি নর্বিাচনে উপজলোর কোন ইউনয়িনইে কোন ধরনরে অপ্রীতকির ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবশে ভোট গ্রহন শষে হয়। ফলে উৎসবমূখর পরবিশেরে সৃষ্টি হয় ভোটকন্দ্রেগুলো। এমন নিশ্ছিদ্র নরিাপত্তারবলয় থাকায় ভোটাররা তাদরে পছন্দরে র্প্রাথীকে ভোট দয়িে নর্বিাচতি করতে পরেছেনে। এতে ভোটারদরে পছন্দনীয় র্প্রাথীরা প্রত্যাক্ষ ভোটে নর্বিাচতি হন।

উপজলো নর্বিাচন অফসি সূত্রে জানা যায়, ১নং রাজারগাঁও ইউনয়িনে র্বতমান চয়োরম্যান আলহাজ্ব আ. হাদি ময়িা নৌকা প্রতীকে ভোট পয়েছেনে ৫ হাজর ৭৯৭ ভোট, নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী র্প্রাথী আনারস প্রতীকরে রফকিুল ইসলাম পাটওয়ারী ৪ হাজার ৬৪৬ ভোট, হাত পাখা প্রতীকরে চয়োরম্যান র্প্রাথী মো. আবুল হাসমে ৫৭৬ ভোট ও ছদ্দিকিুর রহমান চশমা প্রতীকে ৪০ ভোট পয়েছেনে। এ ইউনয়িনে বসেরকারি ফলাফলে নর্বিাচতি হন আলহাজ্ব আ. হাদি ময়িা।

২নং বাকলিা ইউনয়িনে নৌকা প্রতীকে হাববিুর রহমান লটিন ৪০৬৬ ভোট পয়েছেনে। তার নকিটত প্রতদ্বিন্দ্বী র্প্রাথী মজিানুর রহমান আনারস প্রতীকে ৫৭০০ ভোট, ঘোড়া প্রতীক নয়িে জুলহাস ময়িা ১৬০৮ ভোট, জামাল হোসনে হাত পাখা প্রতীক নয়িে ৬৫৪ ভোট ও জহরিুদ্দনি মো. রাসলে চশমা প্রতীকে ৬৪ ভোট, শাহ আলম মৃধা গোলাপ ফুল প্রতীকে ৬৪ ভোট পয়েছেনে। ফলে বসেরকারি ফলাফলে বএিনপরি স্বতন্ত্র চয়োরম্যান র্প্রাথী মজিানুর রহমান মলিন নর্বিাচতি হয়ছেনে।

Model Hospital

৩নং কালচােঁ উত্তর ইউনয়িনে নৌকা প্রতীকরে চয়োরম্যান র্প্রাথী মো. মানকি হোসনে প্রধানীয়া ৬৫৪৭ ভোট পয়েে নর্বিাচতি হয়ছেনে। তার নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী হাত পাখা প্রতীকরে র্প্রাথী আ. মতনি ২২৫৮ ভোট। ফলে বসেরকারি ফলাফলে নৌকা প্রতীকরে চয়োরম্যান র্প্রাথী মো. মানকি হোসনে প্রধানীয়া।

৪নং কালচােঁ দক্ষনি ইউনয়িনে নৌকা প্রতীক নয়িে আকতার হোসনে মকিন পয়েছেনে ৪ হাজার ৮৪৭ভোট। তার নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী র্বতমান চয়োরম্যান র্প্রাথী মো. গোলাম মোস্তফা স্বপন ৮ হাজার ৯১৯ ভোট, আনারস প্রতীক নয়িে জাহাঙ্গীর ফরাজী ১০৬ ভোট পয়েছেনে ও হাত পাখা প্রতীকরে শাহাদাৎ হোসনে ৫০৭ ভোট। বসেরকারি ফলাফলে র্বতমান চয়োরম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন নর্বিাচতি হয়ছেনে।

৫নং হাজীগঞ্জ সদর ইউনয়িনে নৌকা প্রতীক নয়িে আলহাজ্ব শফকিুল ইসলাম মীর ৫৪৭০ ভোট। তার নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী ইউনয়িন যুবলীগরে সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ প্রধানীয়া সুমন ৯৯০৭ ভোট ও মোস্তাফজিুর রহমান হাত পাখা পয়েছেনে ১৭৯৫ ভোট। বসেরকারী ফলাফলে ইউনয়িন যুবলীগরে সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ প্রধানীয়া সুমন নর্বিাচতি হয়ছেনে।

৬নং বড়কুল র্পূব ইউনয়িনে নৌকা প্রতীকে আহসান হাববি ৪২১২ ভোট পয়েছেনে, তার ইউনয়িন যুবলীগরে সাধারণ সম্পাদক মজবিুর রহমান আনারস প্রতীকে ৬১১৮ ভোট পয়েছেনে, বএিনপরি স্বতন্ত্র চয়োরম্যান র্প্রাথী ইমান হোসনে মোটরসাইকলেে ৩১৪৫ ভোট, হাত পাখা প্রতীকে আ. হামদি পয়েছেনে ২৮৬ ভোট, ঘোড়া প্রতীক নয়িে হুমায়ন কবরি পয়েছেনে ১১ ভোট ও গোলাপ ফুল নয়িে আনোয়ার পয়েছেনে ১০৭ ভোট। বসেরকারী ফলাফলে ইউনয়িন যুবলীগরে সাধারণ সম্পাদক মজবিুর রহমান আনারস প্রতীক নয়িে নর্বিাচতি হয়ছেনে।

৭নং বড়কুল পশ্চমি ইউনয়িন নৌকা প্রতীকরে র্প্রাথী বীর মুক্তযিুদ্ধা মনরি হোসনে গাজী পয়েছেনে ৪৬১৮ ভোট। তার নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী চয়োরম্যান (বএিনপি স্বতন্ত্র) র্প্রাথী আনারস প্রতীকে নুরুল আমনি (হলোল) মজিি পয়েছেনে ৪৮৯০ ভোট। বসেরকারী ফলাফলে নর্বিাচতি হয়ছেনে স্বতন্ত্র র্প্রাথী আনারস প্রতীকে নুরুল আমনি (হলোল) মজি।

৮নং হাটলিা র্পূব ইউনয়িনে নৌকা প্রতীক নয়িে মোস্তফান কামাল মজুমদার পয়েছেনে ৩৫৬৯ ভোট। তার নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী র্প্রাথী (বএিনপি স্বতন্ত্র) মোশাররফ হোসনে মানকি আনারস প্রতীক নয়িে পয়েছেনে ৩৫১৮ ভোট, আওয়ামীলীগরে বদ্রিোহী র্প্রাথী সাবকে চয়োরম্যান সোহরাব হোসনে চশমা প্রতীকে পয়েছেনে ৩২৩৯ ভোট, দলেোয়ার হোসনে চয়োর প্রতীক নয়িে পয়েছেনে ২১৭ ভোট, আরফি হোছাইন গোলাপ ফুল নয়িে পয়েছেনে ৪০ ভোট ও ঘোড়া প্রতীক নয়িে আরফিুল ইসলাম পয়েছেনে ৫২২ ভোট। বসেরকারী ফলাফলে নর্বিাচতি হয়ছেনে নৌকা প্রতীকরে র্প্রাথী মোস্তফা মজুমদার।

৯নং গর্ন্ধব্যপুর উত্তর ইউনয়িনে নৌকা প্রতীক নয়িে কাজী নুরুর রহমান বলোল পয়েছেনে ৫ হাজার ৭১৫ ভোট। তার নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী (আওয়ামীলীগরে বদ্রিোহী) র্প্রাথী রফকিুল ইসলাম আনারস প্রতীকে পয়েছেনে ৪ হাজার ২৮১ ভোট, ঘোড়া প্রতীক নয়িে বএিনপরি স্বতন্ত্র র্প্রাথী নছোর আহমদে পয়েছেনে ১ হাজার ৩১৩ ভোট, ইউনুস ময়িা চশমা প্রতীক নয়িে পয়েছেনে ২৯ ভোট ও দলেোয়ার হোসনে হাত পাখা নয়িে পয়েছেনে ২৫৬ ভোট। বসেরকারী ফলাফলে ওই ইউনয়িনে নর্বিাচতি হয়ছেনে নৌকা প্রতীকরে র্প্রাথী কাজী নুরুর রহমান বলোল।

১০নং গর্ন্ধব্যপুর দক্ষণি ইউনয়িনে নৌকা প্রতীক নয়িে র্বতমান চয়োরম্যান গয়িাসউদ্দনি বাচ্চু পয়েছেনে ৬৫৪০ ভোট। তার নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী বএিনপরি স্বতন্ত্র চয়োরম্যান র্প্রাথী নাসরি উদ্দনি আনারস প্রতীকে পয়েছেনে ২৩০১ ভোট, নাজমুল হাসান ঘোড়া প্রতীকে পয়েছেনে ২১৭ ভোট ও কাউসার হোসনে হাত পাখা নয়িে পয়েছেনে ৭৭৮ ভোট। বসেরকারী ফলাফলে নৌকা প্রতীকরে র্বতমান চয়োরম্যান গয়িাসউদ্দনি বাচ্চু।

১১নং হাটলিা পশ্চমি ইউনয়িনে নৌকা প্রতীকরে চয়োরম্যান আলহাজ্ব একএেম মজবিুর রহমান পয়েছেনে ৪৮৯৩ ভোট। তার নকিটতম প্রতদ্বিন্দ্বী (বএিনপরি স্বতন্ত্র) র্প্রাথী ইমাম হোসনে লটিন পয়েছেনে ৩৪৬৪ ভোট, ইয়াছনি মনরি হাত পাখা প্রতীকে পয়েছেনে ১০১ ভোট, গাজী আলী আনারস প্রতীকে পয়েছেনে ২৩ ভোট, মোহাম্মদ আলী মোটরসাইকলে প্রতীকে পয়েছেনে ৩১৯ ভোট ও গোলাম চশিতী চশমা প্রতীকে পয়েছেনে ৩১ ভোট। বসেরকারী ফলাফলে নৌকা প্রতীক নয়িে নর্বিাচতি হয়ছেনে আলহাজ্ব একএেম মজবিুর রহমান।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’