বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে আহসান গ্রুপের শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩:০৫ পিএম
মতলব উত্তরে আহসান গ্রুপের শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

মতলব উত্তর ব্যুরো : মুজিববর্ষ ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশের স্বনামধন্য গ্রুপ অফ কোম্পানি আহসান গ্রুপ লিমিটেড চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ১টি পৌরসভায় প্রায় ৫ হাজার দুঃস্থ ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

লতরদি নিজ বাসভবন থেকে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে এই শীতবস্ত্র প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন আহসান গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার কামরুল আহসান সিআইপি।

এসময় কামরুল আহসান সিআইপি বলেন, সারাদেশে এখন খুবই শীত চলছে। শীতে বয়স্ক বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো খুব কষ্ট করছে। এ দেশ শুধু সরকার নয়, যারা সরকারের বন্ধু হিসেবে কাজ করে সকলের সমন্নিত প্রচেষ্ঠায় উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব।

তিনি আরও বলেন যে যত বেশি দান করবে সে তত বেশি আল্লাহর দিদার লাভ করবে। তাই যতটুকু পারছি মানুষের মাঝে উপহার দিচ্ছি। আমাদের পক্ষ থেকে প্রতি বছর দিয়ে থাকি। সবাই আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলবো, তাহলেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।
আমরা প্রায়ই আমাদের চারপাশে পক্ষাঘাতগ্রস্ত অসহায় মানুষ দেখে থাকি। আমাদের সকলের যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী এসকল মানুষের কল্যানে এগিয়ে আসা উচিৎ, আর তা বিবেচনায় রেখেই বস্ত্র এই শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। প্রকৃতপক্ষে, সবারই উচিৎ দেশের এইসকল অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, এই তীব্র শীতে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ একটি মহৎ কাজ। মানব সেবায় মহান ব্রত নিয়ে সমাজের অসহায় ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। আমার এই শীত বস্ত্র বিতরণ চলমান থাকবে। আমার সুযোগ্য পুত্র এম ইসফাক আহসান মতলব উত্তর দক্ষিণে সাধারণ মানুষকে সার্বিক সহযোগিতা ও বিভিন্ন অনুদান দিয়ে থাকেন আমি ও আমার পরিবার কখনো হিসেব করে দান করি না মনের আনন্দ থেকে মানুষকে ভালোবেসে সহযোগিতার চেষ্টা করি মতলব উত্তরে দরিদ্র পরিবার যাদের থাকার ঘর ছিল না আমরা প্রায় ৪ ০০ ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে উপবৃত্তি প্রদান করেছি এই দান অব্যাহত থাকবে ইনশাল্লাহ।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথির সফরসঙ্গী আব্দুর রাজ্জাক, ফতেহপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, ফরাজী কান্দি ইউনিয়ন এর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম, ষাটনল ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ফেরদাউস, গজরা ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শহিদুল্লাহ প্রধান, থানা ও লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আমিন বোরহান, কলাকান্দা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম কাদের মোল্লা, ছেংগারচর পৌর সভার প্যানেল মেয়র আবদুল মান্নান ব্যাপারী, ছেংগারচর পৌরসভার কাউন্সিলর শাহাদাত হোসেন খোকন ডালি, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবদুর রব প্রধান, উপজেলা যুব লীগের প্রচার সম্পাদক রেফায়েত উল্লাহ দর্জি, উপজেলা যুবলীগ নেতা মিরাজ খালিদ, আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান মাহমুদ, যুবলীগ নেতা শাহ আলম সরকার, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল সরকার প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital