মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

অবৈধভাবে থাকা

ফরিদগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তালা দিয়েছে সরকারি কর্মকর্তা !

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৪, ১:৪৬ এম
ফরিদগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তালা দিয়েছে সরকারি কর্মকর্তা !

অবৈধভাবে থাকা ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তালা দিয়েছে বিআরডিবি কর্মকর্তা। এছাড়াও বিআরডিবির নিয়ন্ত্রণাধীন উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির জায়গায় নির্মাণ করা ২৬টি দোকান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ভাড়া আদায় করার জন্যে কড়া নির্দেশনা দিয়ে গেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘ বছর ধরে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র আব্দুল খায়ের পাটোয়ারী ও তার সহযোগী প্যানেল মেয়র পরান কমিশনার তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের আশায় ওইসব দোকান নিয়ন্ত্রণে রাখতেন বলে বিভিন্ন মহলের অভিযোগ রয়েছে।

হয়রানি হওয়ার ভয়ে এতোদিন কেউ মুখ খোলার সাহস পায়নি। অবশেষে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিতে উদ্যোগ নিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও সমবায়ীরা জানায়, উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র কান্ডারী মহল মার্কেটের পাশে উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের একখণ্ড জায়গা রয়েছে। আবুল খায়ের পাটোয়ারী বিনা ভোটে উক্ত সমিতির চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে সমিতির নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উক্ত জায়গায় আধাপাকা টিনশেডের ২৬টি দোকান ঘর নির্মাণ করেন। সেই সময় এসব দোকান নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন প্যানেল মেয়র পরান।

Model Hospital

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন আবুল খায়ের পাটোয়ারী ও তার সহযোগী পরান কমিশনার। আবার দোকান দেয়ার নামে টাকা নিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু তার অতি পছন্দের লোক ছাড়া কেউই দোকান বুঝে পাননি। শুধু তাই নয়, ক্ষমতার দাপটে মেয়র আবুল খায়ের পাটোয়ারী নিজের পরিবারের সদস্য ছাড়াও টাকার বিনিময়ে দোকান বরাদ্দ দিয়েছেন। কোনো দোকানের মালিকের সাথে বিআরডিবির চুক্তিনামা না করায় দোকানের ভাড়া পেতো না ।

অবশেষে শেখ হাসিনার পতনের পর বিআরডিবির ফরিদগঞ্জ অফিসের নিয়ন্ত্রণে ওইসব দোকানের চুক্তিনামা করা ছাড়াও দোকানগুলোর ভাড়া আদায় করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে উক্ত জায়গায় নির্মিত যে টিনশেড ঘরটি অস্থায়ী ভাবে উপজেলা আওয়ামী কার্যালয় নামে ব্যবহার করা হতো, ওই কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার তালা দিয়েছে বিআরডিবি কর্মকর্তা।

উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মশিউর রহমান ভুঁইয়া তার কার্যালয়ে এই প্রতিনিধির কাছে উপজেলা আওয়ামী কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ক্ষমতার দাপটে অবৈধ দখলে রাখা ২৬ দোকানের চুক্তিনামা ও ভাড়া আদায়ের জন্যে দোকানের মালিকদেরকে কড়া বার্তা দেয়া হয়েছে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।