মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সকালে শপথ, দুপুরে জানলেন চেয়ারম্যানের চেয়ার নেই

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০২৪, ১০:৪৬ এম
সকালে শপথ, দুপুরে জানলেন চেয়ারম্যানের চেয়ার নেই

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মোকাররম হোসেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে জয়ী হন। তবে আদালতে মামলার কারণে শপথ নেওয়া হয়নি। আইনি লড়াই শেষে ৮২ দিন পর সোমবার (১৯ আগস্ট) শপথ নেন তিনি। এরপরও চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসা হয়নি তার। কারণ ততক্ষণে তিনিসহ ক্ষমতা হারিয়েছেন দেশের সব উপজেলার চেয়ারম্যান।

মোকাররম হোসেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে গঙ্গাচড়ার চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এরপর উপজেলা পরিষদে পৌঁছানোর আগেই জানতে পারেন, সরকারি প্রজ্ঞাপনে দেশের ৪৯৩ চেয়ারম্যানকে অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে গঙ্গাচড়াও আছে। বিষয়টি এখন রংপুরসহ সারাদেশে আলোচিত।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মোকাররম হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘কয়েক ঘণ্টার জন্য তো চেয়ারম্যান হয়েছি।’

গত ২৯ মে গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লাগের সভাপতি রুহুল আমিনকে ৮৩৩ ভোটে হারিয়ে দেন মোকাররম হোসেন। গত ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হলে ৩ জুলাই শপথের দিন ছিল। এর আগেই ১৩ জুন শপথের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন রুহুল আমিন। এতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। ফলে তিনি শপথ নিতে পারেননি।

Model Hospital

১৪ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে শপথ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার শপথ গ্রহণের সময় ধার্য করা হয়। সে অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে তাঁকে শপথ করান বিভাগীয় কমিশনার মো. জাকির হোসেন। এর কয়েক ঘণ্টা পরই তাকে অপসারণের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।