বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় লুণ্ঠিত পিস্তলের ৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার 

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৪, ৫:৪৩ পিএম
কচুয়ায় লুণ্ঠিত পিস্তলের ৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার 
চাঁদপুরের কচুয়ায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে লুণ্ঠিত পিস্তলের ৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কচুয়া টু রহিমানগর সড়কের কান্দিরপাড়গামী সংযোগ সড়কের পাশে রেইন্ট্রি কড়ই গাছের গোড়া‌ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পলিথিনে মোড়ানো এসব গুলি উদ্ধার করা হয়। সোমবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম আবদুল  হালিম।
তিনি বলেন, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম এর নির্দেশনায় কচুয়া থানা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও চাঁদপুর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশগ্রহন করে।
এসময় লুণ্ঠিত ৭.৬২ এম.এম. পিস্তলের ৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতনের পর গনপিটুনি দিয়ে কচুয়া থানার এসআই মামুনুর রশিদকে কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ মাঠে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার কাছে থাকা ৭.৬২ এমএম পিস্তলটি লুঠ করে নেয় হামলাকারীরা। প্রায় ৪ মাস পর যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে লুণ্ঠিত পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত গুলি কচুয়া থানায় জব্দ দেখানো হয়েছে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।