মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে বিদায়ী এসিল্যান্ড রেজওয়ানা চৌধুরীর সঙ্গে প্রেসক্লাবের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:৩৮ পিএম
শাহরাস্তিতে বিদায়ী এসিল্যান্ড রেজওয়ানা চৌধুরীর সঙ্গে প্রেসক্লাবের মতবিনিময়
শাহরাস্তিতে বদলিজনিত কারণে বিদায়ী সহকারী কমিশনার( ভূমি), বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরীর সঙ্গে শাহরাস্তি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুরে শাহরাস্তি পৌরসভার সাহাপুরস্থ সহকারি কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
ওইদিন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া এবং সম্পাদক নোমান হোসেন আখন্দের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রেসক্লাবের সকল গণমাধ্যম কর্মী ও নেতৃবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন।
ওই সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী সহকারী কমিশনার রেজওয়ানা চৌধুরী বলেন, আমি বিগত ১ বছর ৯ মাস  শাহরাস্তিতে চাকরিজনিত কারণে অবস্থান করেছি। এর মধ্যে যা কিছু অর্জন করা সম্ভব হয়েছে, তা শাহরাস্তি বাসীর আন্তরিক সহযোগিতায় সম্ভব হয়েছে।
ওই সময় তিনি শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসন বিশেষ করে বর্তমান নির্বাহী অফিসার ইয়াসির আরাফাত সহ সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, পুলিশ প্রশাসন ও সকল গণমাধ্যম কর্মী, তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারী  এবং বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি আরো বলেন, আমি এ কার্যালয়ের অবকাঠামোর বাইরে যতটুকু সম্ভব দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে এর সবটুকুই নিজ হাতে ও পরিকল্পনায় সম্পূর্ণ করেছি।
এ কর্মস্থল এ জনপদের মানুষের কথা আমার জীবনের সকল ক্ষেত্রে স্মরণে থাকবে। আমি এজন্য সবার মঙ্গল কামনা করি।
ওই সময় তার এ কর্মময় জীবন নিয়ে উপস্থিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, বর্তমানে চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম, সাবেক সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির, মোঃ মাসুদ রানা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নোমান হোসেন আখন্দ, সিনিয়ার সাংবাদিক রুহুল আমিন তরুণ, খন্দকার মনিরুজ্জামান  শান্ত বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া অন্যান্য সংবাদকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাহাবুব হাসান বাবলু,ইমতিয়াজ সিদ্দিকী তোহা,মোহাম্মদ নূরে আলম, রাফিউ হাসান হামজা, মোঃ হেলাল উদ্দিন, জাকির হোসেন নয়ন, আব্দুল কাইয়ুম রিপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে এসিল্যান্ড রেজওয়ানা চৌধুরী এই জনপদের কর্মকাণ্ডে ভূয়সী প্রশংসা করেন। এসাথে নেতৃবৃন্দ তার আগামী কর্মময় ও পারিবারিক জীবনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি সফলতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, সহকারী কমিশনার রেজওয়ানা চৌধুরী, স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজি ভার্সনে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন শেষে ৩৭ তম ব্যাচ বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন। পরে সহকারী কমিশনার হিসেবে ভোলা, বান্দরবন, নারায়ণগঞ্জ ডিসি অফিসে চাকুরী শেষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিসে সংযুক্ত হন।
এরপর ২০২৩ সালের  মঙ্গলবার (২-মে) শাহরাস্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে প্রথম কর্মময় জীবন শুরু করেছিলেন।
বর্তমানে বদলিজনিত কারণে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় তিনি স্থলাভিষিক্ত হবেন। তার স্বামী চাঁদপুর জেলার কচুয়া সার্কেল এ সহকারি পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত বিসিএস (পুলিশ) রেজোয়ান সাঈদ  জিকু।

শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির এক প্র্যাকটিশনারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় অপর একটি মেডিকেল সেন্টারের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারে অভিযান চালিয়ে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির একজন প্র্যাকটিশনারকে মূলধারার চিকিৎসাপদ্ধতিতে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলার দোয়াভাঙ্গায় অবস্থিত অ্যাপোলো মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Model Hospital

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।