শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে রেইনবো হাসপাতাল চিকিৎসকের পাষন্ডতায় মৃত্যু পথযাত্রী মুক্তিযোদ্বার সন্তান!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২, ৪:১৩ পিএম
চাঁদপুরে রেইনবো হাসপাতাল চিকিৎসকের পাষন্ডতায় মৃত্যু পথযাত্রী মুক্তিযোদ্বার সন্তান!

চাঁদপুর প্রতিনিধি : চাঁদপুরে রেইনবো হাসপাতালের মেডিসিন চিকিৎসক সিরাজুম মুনির পাষন্ডতায় ও অমানবিকতার কারনে মৃত্যু পথযাত্রী হলেন, মুক্তিযোদ্বার সন্তান নূরুনন্নাহার(৪০) বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অবশেষে এ রোগীকে তাৎক্ষনিক শহরের চিকিৎসক মোবারক হোসেন চৌধুরীর মানবিকতায় তার হস্তক্ষেপে জীবন রক্ষা পেয়েছেন, মুক্তিযোদ্বা নূরুল ইসলামের সন্তান নূরুনন্নাহার।
চাঁদপুরে এ রেইনবো হাসপাতাল যেন মৃত্যুকুপ হিসেবে পরিনত হয়েছে। এ হাসপাতালটির মেডিসিন চিকিৎসক সিরাজুম মুনির ঢাকা থেকে চাঁদপুরে এসে রোগী দেখার ক্ষেত্রে পাষন্ডতা,অমানবিকতা ও পশুর মত পরিচয় দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের সিভিল সার্জনের কাছে ভুক্তভোগীর অভিভাবক অভিযোগ করেছেন।
এ ঘটনাটি ঘটেছে,গত বৃহস্পতিবার(২৭ জানুয়ারী) রাত অনুমান সাড়ে ১২টায় শহরের মিশন রোডস্থ এলাকায় অবস্থিত রেইনবো হাসপাতালের ২য় তালায় চিকিৎসক সিরাজুম মুনির এর চেম্বারের সামনে। প্রশাসনের কাছে এ রেইনবো হাসপাতাল ও এ হাসপাতালের চিকিৎসক সিরাজুম মুনিরের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি করেছেন, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

অভিযোগ থেকে জানা যায়,চাঁদপুর শহরের মুক্তিযোদ্বার সন্তান রোগী নূরুনন্নআহার (৪০) গত ১৩ জানুযারী মেডিসিন চিকিৎসক এ.এস.এম সিরাজুম মুনিরকে তার শারীরিক সমস্যার কারনে শহরের মিশন রোডস্থ রেইনবো হাসপাতালে দেখান। সে মতে চিকিৎকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি ঔষধ সেবন করতে থাকেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় হঠাৎ রোগী নূরুনন্নাহারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়ে মারাত্বক পেটের ব্যাথা শুরু হয়।

তাৎক্ষনিক রোগী নূরুনন্নাহার রেইনবো হাসপাতালের পাটনার মো: কবির হোসেন মুন্সির সাথে কথা বলে,তার মাধ্যমে মেডিসিন চিকিৎসক এ.এস.এম সিরাজুম মুনির এর সাথে কথা বলে পরক্ষনে রেইনবো হাসপাতালে চলে আসেন এবং মেডিসিন চিকিৎসক সিরাজুম মুনিরকে দেখাবার জন্য তার চেম্বারে রুগীর সিরিয়াল দেওয়া যুবতী জনৈক বৃস্টির মাধ্যমে সিরিয়াল লেখিয়ে বসে থাকেন।

Model Hospital

রাত সোয়া ১০টা থেকে রাত প্রায় সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় আড়াই ঘন্টা হাসপাতালে ছিলেন। এরই মধ্যে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসক এ.এস.এম সিরাজুম মুনিরকে কয়েকবার জানানো হয়। এমনকি জহাসপাতালের পাটনার মো: কবির হোসেন মুন্সির মাধ্যমে ও জানানো হয়।

তাতেও তিনি রোগীকে না দেখায় আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক শওকত আলী তার ভিজেটিং কার্ড পাঠিয়েও অনুরোধ করে চেম্বারে রুগীর সিরিয়াল দেওয়া যুবতী জনৈক বৃস্টির মাধ্যমে। এক পর্যায়ে রোগী নূরুনন্নাহার পেটের ব্যাথা সহৃ করতে না পেরে হাসপাতালের মেজেতে শুয়ে পড়েন এবং বমি করতে থাকেন। এ অবস্থা দেখে সাংবাদিক শওকত আলী চিকিৎসক এ.এস.এম সিরাজুম মুনিরের চেম্বারে প্রবেশ করে তাকে অনুরোধ করেন, রোগী নূরুনন্নাহারকে দেখার জন্য। তার চেম্বারের ২জন রোগীর সামনে চিকিৎসক সিরাজুম মুনির সোজা সাপটা বলে দেন তিনি জরুরী রোগী চেম্বারে দেখবেন না।

দেখাতে হলে সিরিয়াল অনুযায়ী বসে থাকতে হবে। তা’না হলে যেখানে জরুরী রোগীর চিকিৎসা হয় সেখানে নিয়ে যান। তার পর কোন উপায় অন্তর না পেয়ে রুগীর স্বজরা শহরের প্রিমিয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক মোবারক হোসেন চৌধুরীর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করে মূমূর্ষূ রোগী নূরুনন্নাহারকে স্বজনরাসহ সাংবাদিক শওকত আলী তাৎক্ষনিক রেইনবো হাসপাতাল থেকে অতি কস্টে নামিয়ে সিএনজি যোগে হাজী মহসিন রোডস্থ প্রিমিয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এনে ভর্তি করে।

রোগী নূরুনন্নাহানকে যখন প্রিমিয়ার হাসপাতালে আনা হয় তখন তার ডায়াবেটিক নীল হয়ে তার শরীরে মারাত্বক ঘাম দিয়ে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যায়। তাৎক্ষনিক তাকে ট্রেসার দিয়ে প্রিমিয়ার হাসপাতালের ৩য় তলায় নিয়ে তাৎক্ষনিক চিকিৎসক মোবারক হোসেন চৌধুরীর আধূনিক চিকিৎসা পদ্বতি ব্যবহার করে তাকে গ্লুকোজ পান করিয়ে রোগী নূরুনন্নাহার প্রানে রক্ষা পায়। তাৎক্ষনিক উন্নত চিকিৎসা না পেলে রোগীর মুত্যু শতভাগ আশংকা ছিল। বর্তমানে গত(২৭ জানুয়ারী) রাত ১টা থেকে এ রিপোট লিখা পর্যন্ত রোগী নূরুনন্নাহারকে মারাত্বক অবস্থায় হাসপাতালের ৩০৭ নং কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে এ প্রতিনিধি মেডিসিন চিকিৎসক এ.এস.এম সিরাজুম মুনির এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,আমি জরুরী রোগী চেম্বারে দেখি না। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে আমাকে কল দিলে আমি দেখতাম। সে আরো বলেন,এ রোগি আমার কাছে পূর্বে চিকিৎসা নিয়েছে।

এ ব্যাপারে রেইনবো হাসপাতালের চেয়ারম্যান মহাসিন মিয়ার ও পাটনার কবির হোসেন মুন্সির সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তারা বলেন,আমরা বিষয়টি জেনেছি। এ ধরনের ঘটনার জন্য দু:খ্য প্রকাশ করছি। তিনি সপ্তাহে বৃহস্পতি ও শুক্রবার ৭০/৮০ জন রোগী এমনকি ১২০জন পর্যন্ত রোগী দেখার কারনে তার মাথা ঠিক থাকে না। মেডিসিন চিকিৎসক এ.এস.এম সিরাজুম মুনির এর সাথে হাসপাতালে মিটিং করেছি। তিনি বিষয়টি নিয়ে দু:খ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের অবস্থা আগামীতে হবে না বলে জানিয়েছেন। আমরা এ রোগীর সাথে দীর্ঘদিন যাবত পরিচিত। আগামীতে তার সকল চিকিৎসা আমরা ফি করবো বলে তিনি জানান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital