রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ, ঝুঁকিতে শিশুরা

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫, ২:৪৮ পিএম
কচুয়ায় বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ, ঝুঁকিতে শিশুরা

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে ডায়রিয়া আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশি দেখা গেছে৷ বিশেষজ্ঞরা এজন্য আবহাওয়া পরিবর্তনকে অন্যতম কারণ মনে করছেন৷ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় হঠাৎ করে ডায়রিয়া রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। ডায়রিয়া ছাড়াও জ্বর, পেটের পীড়া, সর্দি-কাশি, বুক ও শরীরের ব্যথাসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভিড়ও লক্ষ করা গেছে। এর মধ্যে বেশি ঝুঁকিতে শিশুরা ও বৃদ্ধের সংখ্যা কম ।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কোয়া-চাঁদপুর গ্রামের  মনছুর আহম্মেদের স্ত্রী হালিমা আক্তার (৩০) ৩দিন আগে ডায়রিয়া আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে ভর্তি দেন।  আজ কিছুটা সুস্থের দিকে আছে তার স্ত্রী হালিমা আক্তার।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্র জানা যায়, গত ১ সপ্তাহে ৩০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। আক্রান্তে বৃদ্ধ ও শিশুর সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গিয়েছে। এছাড়া অনেক রোগী হাসপাতালের বহির বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছে।
উপজেলা আলিয়ারা গ্রামের পারভীন আক্তার জানান, আমরা মা রোসনারা (৬০) গতকাল সন্ধায় পেটের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে গেলে ডাক্তাররা ভর্তি দিয়ে দেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এখন মা অনেকটাই সুস্থ আছে।
এব্যাপারে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্রেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদ হোসাইন বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তন, খোলা-বাসি খাবার খাওয়া ও ভাজা-পোড়া খাবার খাওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ডায়রিয়া রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। স্যালাইনসহ ওষুধপত্রের সংকট নেই।
তিনি আরো বলেন, ডায়রিয়ার লক্ষণ হচ্ছে, শিশুর অল্প জ্বর থাকে, আবার অনেক সময় জ্বর থাকেও না, পানির মতো পাতলা পায়খানা হয়৷ কোন ক্ষেত্রে সাদা পায়খানা হয়, কোনটা আবার হলুদ রংয়ের পায়খানা হয়৷ এই ডায়রিয়াতে রক্ত যায় না, শুরুতে জ্বর থাকলেও তা চলে যায়৷ এই ধরনের ডায়রিয়া ভালো হতে ৫ থেকে ৭ দিন সময় লাগে৷

রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদরের ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কবির হোসেন চোকদার দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকার বিভিন্ন বংশের মুরব্বিদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়ালনগর পাটোয়ারী বাজার মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজরাজেশ্বর প্রধানীয়া বংশীয় মুরব্বি হাজী কাদির প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম চোকদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী দেওয়ান, এলাকার মুরব্বি কাদির প্রধানীয়া, মোহাম্মদ মিজি, সাইদ দেওয়ান, আব্দুল বেপারী, আমু ঢালী, আলমগীর মাল, শফিকুল কুড়ালী, জাহাঙ্গীর সরকার, আবু বকর পাটোয়ারী, আবুল বকাউল, রহমান প্রধানিয়া, নাসির রাঢ়ি, নবীর দেওয়ান, সেকুল দেওয়ান, এবাদুল্লাহ দেওয়ান, হুমায়ুন বেপারী, ফজল সরকার, মুকবুল আসামি, মানিক ভুঁইয়া, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল মিজি, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাবুল প্রধানীয়া, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি হানিফ ঢালী, ৪নং ওয়ার্ডে সভাপতি সেকুল বেপারী, ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মাল, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সরকার, ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ দেওয়ানা, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাচ্চু বেপারী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে আমরা একজন সৎ, আদর্শবান এবং দক্ষ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই। যিনি এই ইউনিয়নকে সত্যিকার অর্থে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে। সেই নেতৃত্বের সকল গুণাবলী আমরা ওই এলাকার কৃতি সন্তান কবির হোসেন চৌকদারের ভেতরে দেখছি। আমরা বিশ্বাস করি তিনি বাবা মায়ের মতোই একজন জনবান্ধব এবং যোগ্য জনপ্রতিনিধি হবেন। তাই দলের প্রতি অনুরোধ করবো আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে যেন দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কবির হোসেন চোকদার তার বক্তব্যে বলেন, আমার বাবা-মা দুজনেই এই এলাকার জনপ্রতিনিধি ছিলেন। আজ পর্যন্ত তারা কেউ এলাকা ছেড়ে যাননি। আমিও আমার বাবা-মায়ের আদর্শকে ধারণ করে এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। এলাকার মানুষের সুখ দুঃখের দীর্ঘ সময় পাশে ছিলাম। জনপ্রতিনিধি হই বা না হই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এলাকায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাব।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করে বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে স্বক্রিয় ছিলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি, আমার দল আগামী ইউনিয়ন নির্বাচনে আমাকে মূল্যায়ন করবে। এরপরে দল থেকে যে সিদ্ধান্ত নিবে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই আমি সামাজিক কাজ করে যাব। আমাদের অভিভাবক চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাই রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গডে তোলার এই অগ্রযাত্রায় আমিও একজন সারথী হতে চাই। এজন্য আমি আপনাদের দোয়া, সমর্থন এবং ভালোবাসা কামনা করছি।

সভায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, শ্রমিক দল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব এবং এলাকার মুরুব্বীরা উপস্থিত ছিলেন।