রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:২১ পিএম
ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিকালে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে কার্যালয়টি উদ্বোধন করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌদি নাগরিক শেখ আব্দুল্লাহ।

ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শাহীন প্রধানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মনির তফাদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব প্রিন্স মামুন মুন্সির যৌথ সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মন্জুর আমিন স্বপন, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তার মুন্সি, উপজেলা বিএনপির সদস্য আঃ শুক্কুর মোল্লা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহসান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খায়রুল হাসান বেনু, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জয়নাল পাটোয়ারী পিনু, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম অপু, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা।

Model Hospital

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব ড. জালাল উদ্দিন বলেন, বিএনপি হল জনগণের দল। বিএনপি জনগণ ও দেশের স্বার্থে রাজনীতি করে। আগামী দিনে বিএনপি জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের নেতা তারেক রহমান হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাবে। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য, দেশকে অন্যায় অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা করতে আমরা চাঁদপুর-২ আসন থেকে সবাই ঐক্যবদ্ধ আছি। তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকলে হাতে হাত রেখে কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা মতলব উত্তর বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠন একটি পরিবার। পরিবারের সদস্য সবাই এক রকম না, সবাই সবকিছু পরিপক্ব নয়। আবার সবার ধ্যান জ্ঞান এক সমান না। কিন্তু যারা ভালো বুঝেন তাঁরা সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে থাকবেন। ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলবেন। কারণ ফ্যাসিস্টদের রুখে দিতে ঐক্যের বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল পাটোয়ারী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাজী সোহেল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রাশেদ জামান টিপু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনিছুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নুরুল হুদা ফয়েজী, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ এনামুল প্রধান সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী।

এর আগে বৃহত্তর মতলব উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মরহুম আতিক উল্যাহ সরকারের কবর জিয়ারত করেন আলহাজ্ব ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।