বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তি উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন 

জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে ইতিহাস পাল্টে যেতে পারতো : ইঞ্জিঃ মুমিনুল হক

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫, ৯:৫৫ পিএম
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে ইতিহাস পাল্টে যেতে পারতো : ইঞ্জিঃ মুমিনুল হক

শাহরাস্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের  ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০-মে) বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপি’র ও পৌরসভা বিএনপি’র উদ্যোগে পৌরশহরের কালিয়াপাড়া দলীয় কার্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

দলীয় সূত্র জানা গেছে , ওইদিন শাহরাস্তি উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আলী আজগর মিয়াজীর সঞ্চালনায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি  আলহাজ্ব আয়াত আলী ভূইঁয়ার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অন্যতম সদস্য, সাবেক জেলা বিএনপির সফল সভাপতি ইঞ্জিঃ লায়ন মমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বক্তব্য বলেন, আজ বৈরী  আবহাওয়ার মধ্যে আপনারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও দলটির প্রবক্তা মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ভালোবেসে এখানে সমবেত হয়েছেন। জিয়াউর রহমানের আত্মমর্যাদা সম্পন্ন রাজনৈতিক দর্শন এই ভালোবাসার সৃষ্টি করেছে। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে এদেশের ইতিহাস পাল্টে যেতে পারতো।

Model Hospital

তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মুক্ত করেছেন, দেখিয়েছেন সফলতা। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্বপ্নদ্রষ্টা ও রুপকার। তার স্বাধীনতার যুদ্ধের নেতৃত্ব ও স্বাধীনতার ঘোষণা এবং দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। তিনি শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কই নন, ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। তার নেতৃত্বেই এ দেশে রাজনৈতিক বহুমাত্রিকতার ভিত্তি রচিত হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। তিনি দেশের আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এক রাজনৈতিক দর্শন সৃষ্টি করেছেন, যা আজও দেশসমৃদ্ধিতে প্রাসঙ্গিক।

এছাড়া তিনি হাজীগঞ্জে শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতৃবৃন্দকে যে কোন অপকর্মের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে যদি কেউ অপরাধ করে থাকে তাদের সনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলো সতর্ক করে দেন। পরিশেষে তিনি দলীয় নেতৃবৃন্দকে কষ্ট করে অনুষ্ঠানে আসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

ওই সময় অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন,উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি  শাহ মোহাম্মদ আলী, হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ও বিএনপি নেতা মোজাম্মেল হোসেন, উপজেলা পিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম পাটওয়ারী লিটন, যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, পৌর বিএনপি সহ সভাপতি মোঃ আবুল কালাম, শফিউল্লাহ বাচ্চু, জহিরুল ইসলাম বিএসসি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাবেক পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্তার হোসেন, সাবেক যুবদলের সভাপতি ও বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুল মান্নান, উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মাহবুব হাসান বাবলু, পৌর  বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক সোলেমান রায়হান, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন নয়ন, সেচ্চাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ মাসুদ আলম, সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন সিপন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন মিয়াজি, ইউপি বিএনপি নেতা শামীম আহমেদ, মাহবুব আলম, উপজেলা পৌরসভা বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ওই সময় নেতৃবৃন্দ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বক্তাগন বলেন তিনি  ছিলেন বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রপতি।আজ দেশের এই ক্লান্তি লগ্নে তার ঘটিত দল বিএনপি’র রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া একান্তই প্রয়োজন। সেজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।