সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

কনের বাড়ি থেকে পালাল বরপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫, ২:৪১ পিএম
কনের বাড়ি থেকে পালাল বরপক্ষ

ভোলার লালমোহনে যৌতুকের দাবিতে কনের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বরপক্ষ। এতে কনে পক্ষের চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলার ঘোলপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বরপক্ষ খাল সাঁতরে ও নৌকায় পালিয়ে যায়।

আহতরা হলেন কনের বাবা, মা, বোন ও চাচা। বর্তমানে তারা লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

কনের ফুফু মমতাজ বেগম জানান, গত ঈদুল ফিতরে সালেহা বেগম ও মো. রুবেলের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় বরপক্ষ ২ লাখ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণ যৌতুক দাবি করে। বৃহস্পতিবার কনেকে আনতে এসে তারা জানায়, যৌতুকের সম্পূর্ণ টাকা ও স্বর্ণ না দিলে কনেকে নিয়ে যাবে না।

তিনি বলেন, “আমরা আগে থেকেই জানতাম ৫০ জন আসবে, কিন্তু হঠাৎ ৬৫ জন চলে আসে। বাড়ির ছোটরা গেট সাজিয়েছিল, কিন্তু বরপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। কনের বাবা সময় চাইলে বরের বাবা বলেন, বিড়ির টাকাও বাকি থাকলে কনেকে দেওয়া যাবে না। তখনই বরের ভাই মো. হাসান গেট ও চেয়ার ভাঙচুর করেন। আরও ৮-১০ জন কনে পক্ষের লোকজনকে চেয়ার দিয়ে মারধর করেন। পরে তারা না খেয়ে খাল সাঁতরে ও নৌকায় পালিয়ে যায়।”

Model Hospital

এ বিষয়ে বর মো. রুবেল বলেন, “আমি পেছনে ছিলাম, গেটে কী হয়েছে জানি না।”

ঘটনার বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির এক প্র্যাকটিশনারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় অপর একটি মেডিকেল সেন্টারের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারে অভিযান চালিয়ে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির একজন প্র্যাকটিশনারকে মূলধারার চিকিৎসাপদ্ধতিতে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলার দোয়াভাঙ্গায় অবস্থিত অ্যাপোলো মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Model Hospital

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।