বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

যুগান্তর বস্তনিষ্ঠতা ও সাহসিকতার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলেছে; রুহুল এমপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ১১:৫৫ এম
যুগান্তর বস্তনিষ্ঠতা ও সাহসিকতার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলেছে; রুহুল এমপি

মতলব উত্তর ব্যুরো : ‘অগ্রযাত্রায় অবিচল’ স্লোগানকে নিয়ে চাঁদপুরের মতলবে যুগান্তর পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। সত্যের সন্ধানে নির্ভীক যুগান্তরের অবিচল অগ্রযাত্রায় শুভকামনা করেন সবাই। বক্তারা যুগান্তরের স্বপ্নসারথি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের স্মৃতিময় বর্ণাঢ্য জীবনের নানাদিক তুলে ধরেন। বলেন, ‘কর্মে তুমি বেঁচে থাকবে। আমরা তোমাকে ভুলবো না।

রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজার পৌর বণিক সমিতির কার্যালয়ে মতলব যুগান্তর প্রতিনিধি ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে সময়ের আলোর স্টাফ রিপোর্টার কামরুজ্জামান হারুনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল।

এ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল বলেছেন, দুই দশকেরও বেশী সময় ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক যুগান্তর তার বস্তনিষ্ঠতা ও সাহসিকতার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলেছে। পত্রিকাটির অবিচল ধারার সাথে মিশে আছে এদেশের পাঠক সমাজ। তাদের সুখ দুঃখের কথা, রাজনীতির কথা, খেলাধুলা, বিনোদন, সাহিত্য, শিক্ষা সহ সকল চাহিদা পূরন করে চলেছে পত্রিকাটি। এই পত্রিকার স্বপ্নসারথী বিশিষ্ট শিল্পপতি নুরুল ইসলাম বাবুল এবং সাবেক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার সহ অনেকেই প্রয়াত হয়েছেন। তারপরও পত্রিকাটি তার নিজ অবস্থান থেকে এতটুকু সরে যায়নি।

তিনি বলেন, যুগান্তর তার সত্যনিষ্ঠ ও সাহসিকতার কারনে পাঠকদের কাছে গ্রহনযোগ্যতা লাভ করেছে। পত্রিকাটি দিনদিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মন্তব্য করে তারা বলেন, এই পত্রিকাটি সত্যকে সত্য বলেই প্রতিষ্ঠিত করেছে। সবগুলি পাতায় গ্রহনযোগ্য রিপোর্ট পরিবেশনের কারনে সকল মহলেই দৈনিক যুগান্তর পাঠকপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অতিথি বক্তারা আরও বলেন, এ ধারায় যুগান্তর যাত্রা শুরু করেছিল সেই ধারা আরও অব্যহত আছে। আগামীতেও তারা এই ধারায় অবিচল থাকবে বলে মন্তব্য করেন তারা।

Model Hospital

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাজী শরিফুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হেদায়ত উল্লা, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শাহাজান কামাল, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি শহিদুল্লা মাস্টার, ইত্তেফাক প্রতিনিধি শামসুজ্জামান ডলার।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রতন ফরাজি, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক এড মহসিন মিয়া মানিক, উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক রেফায়েত উল্লা দর্জি, উপজেলা ক্রীড়া সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদ, বণিক সমিতির সভাপতি মনির হোসেন বেপারী, সাধারণ সম্পাদক নাছির ফরাজি, সাবেক সভাপতি মোবারক মুফ্তি, সাবেক প্যানেল মেয়র আবু জাফর ডালিম, যুবলীগের সভাপতি আবুল হোসেন ফরাজি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামান সরকার, মজিবুর রহমান, মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, মতলব উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী খোকন, শহিদুল ইসলাম খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল ইসলাম, নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি ওমর ফারুক, এশিয়া টিভি প্রতিনিধি সুমন আহমেদ, সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম রানা, নাঈম মিয়াজী, সাজ্জাদ হোসেন, আ. আউয়াল, ব্যবসায়ী ইউসুফ লস্কর।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।