রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

মহামায়ায় ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের ব্যবসায়িক উন্নয়ন সভা ও পুরষ্কার বিতরণ

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৪ পিএম
মহামায়ায় ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের ব্যবসায়িক উন্নয়ন সভা ও পুরষ্কার বিতরণ
দেশের শীর্ষস্থানীয় জীবন বীমা কোম্পানী ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর চাঁদপুর জোনের আওতাধীন মহামায়া ও বাবুরহাট সাংগঠনিক অফিসের পর্যালোচনা ও উন্নয়ন সভা এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মহামায়া পশ্চিম বাজার সোহরাব মার্কেটের ২য় তলায় উক্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং চাঁদপুর ও গৌরিপুর এরিয়া ইনচার্জ মোঃ শামীম খান।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের একটি মাইলফলক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলো। একমাত্র ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। এজন্য তিনি কোম্পানির সকল কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদেরকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি আরো বলেন, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স গত ৪১ বছর আগে ১১ জন কর্মী নিয়ে যাত্রা শুরু করে। তাদের একটাই স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের বেকারত্ব গোছাবে এবং কর্মসংস্থান তৈরি করে দিবে। আপনারা দেখেন ১৯৮৫ সালে তাদের চিন্তা চেতনা কি ছিল। তারা আমার-আপনার ভবিষ্যৎ রেখে গিয়েছেন এই ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মাধ্যমে।
মহামায়া সাংগঠনিক অফিসের এসিস্ট্যান্ট জোনাল ইনচার্জ মোঃ কাউসার হোসেন এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কোম্পানির চীফ জোনাল ম্যানেজার ও মনিটরিং ইনচার্জ মোঃ ইউনুছ আলম, চাঁদপুর জোন প্রধান সুলতান আহমেদ ভুঁইয়া।
মহামায়া সাংগঠনিক অফিসের এজিএম মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এসময় মহামায়া ও বাবুরহাট সাংগঠনিক অফিসের এজিএম, বিএম, ইউএম ও ফাইন্যান্সিয়াল এসোসিয়েট গণ এবং সম্মানিত গ্রাহকগণ সহ মহামায়া এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে কোম্পানির ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সে বিশেষ অবদান রাখায় মহামায়া ও বাবুরহাট অফিসের এজিএম, বিএম, ইউএম ও ফাইন্যান্সিয়াল এসোসিয়েটগণদেরকে পুরষ্কৃত করা হয়।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।