রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বিএনপি জনগণের দল বলেই মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে : লায়ন হারুনুর রশিদ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৬ পিএম
বিএনপি জনগণের দল বলেই মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে : লায়ন হারুনুর রশিদ
চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী,  বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন মো. হারুনুর রশিদ বলেছেন, এক ব্যাগ রক্তের বিনিময়ে একটি প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। একজন সুস্থ মানুষ নির্দিষ্ট সময় পরপর রক্ত দিতে পারে। তাই নিজের রক্তের গ্রুপ জানা প্রতিটি মানুষের জন্য জরুরি।
তিনি বলেন, “রাজনীতিতে আসার আগেই আমি লায়নস ক্লাবের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। তখন এক বছরে আড়াই হাজার ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করতে পেরেছিলাম। শতাধিক মানুষকে চক্ষু অপারেশনের মাধ্যমে নতুন জীবন দিতে সক্ষম হয়েছি। রাজনীতিতে আসার পর বুঝেছি, একই কাজই করতে হয়-মানুষের পাশে থাকা, তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়া এবং প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
এতদিনে আমি উপলব্ধি করেছি, মানুষের সেবা করাটাই প্রকৃত রাজনীতি। আর আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপির রাজনীতি করা, যে দল মানুষের কথা বোঝে ও মানুষের পাশে থাকে। তাই বিএনপি জনগণের দল বলেই মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে।”
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরে ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়ায় তারুণ্যের ছোঁয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন। পরিচালনা করেন সংগঠক শামীম হাসান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নাছির পাটোয়ারী, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টিপু, জেলা যুবদলের সদস্য সোহেল খান, ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন স্বপন, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, পৌর যুবদল নেতা শাওন পাঠান, লায়ন হারুনুর রশিদের বড় ছেলে সাদমান অপূর্ব এবং তারুণ্যের ছোঁয়া ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মামুন সর্দার প্রমুখ।
আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি দিনব্যাপী রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করে।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।