সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

দাঁড়িপাল্লা শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক : শাহজাহান মিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:০৫ পিএম
দাঁড়িপাল্লা শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক : শাহজাহান মিয়া
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চাঁদপুর-৩ (সদর–হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়ার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশাল গণসংযোগ, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও পথসভা।
মঙ্গলবার সকালে হরিনা ফেরিঘাট এলাকা থেকে শুরু হওয়া গণসংযোগ চান্দ্রা বাজার, মদিনা বাজার, ৭নং ওয়ার্ড বকশিলা সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রার্থী পথসভার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
পথসভার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া বলেন—“দাঁড়িপাল্লা শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমাদের শক্তি। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—শান্তি, উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ চাঁদপুর গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। আপনারা সবাই দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠার পক্ষে রায় দিন।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর শহর আমীর অ্যাডভোকেট শাহজাহান খান, চাঁদপুর জজকোর্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের খান, চান্দ্রা ইউনিয়ন সভাপতি ডা. মো. ইকবাল খান, সহ-সভাপতি কাইয়ুম খান, সেক্রেটারি মাওলানা মনির কাজীসহ ইউনিয়ন জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয়রা জানান, শোভাযাত্রা ও গণসংযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া জনগণের কাছে শান্তি, ন্যায়, উন্নয়ন এবং সুশাসনের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।