সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর-৩ আসনে‌ রিকশা প্রতীকের মাও. লিয়াকত হোসাইনের গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৫২ পিএম
চাঁদপুর-৩ আসনে‌ রিকশা প্রতীকের মাও. লিয়াকত হোসাইনের গণসংযোগ
চাঁদপুর-৩ আসনে‌ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা লিয়াকত হোসাইন দলীয় রিকশা প্রতীকে ভোট চেয়ে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি দলীয় নেতাকর্মী এবং সুধীজনদের সাথে নিয়ে চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা রোড, ১৩ নং ওয়ার্ড, ওয়ারল্যাস বাজার, ফরিদগঞ্জ সড়কে এই গণসংযোগ করেন।

এ সময় তিনি এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী এবং পথচারীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করে রিকশা প্রতীকের লিফটে তুলে দেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সমস্যা ও চাঁদপুর নিয়ে তাদের ভাবনার কথা শুনেন এবং নির্বাচিত হলে একটি ইনসাফের চাঁদপুর প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা লিয়াকত হোসাইন বলেন, বহু আত্মত্যাগ আর প্রাণের বিনিময়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। আমাদের পরে অনেক দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে অর্থ, বৃত্ত, সম্পদ এবং আত্মমর্যাদায় অনেক দূরে এগিয়ে গেছে।

কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও এদেশের মুক্তিকামী মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলো মানুষের মানুষের বিভাজন তৈরি করে, নিজেরা ঠিকই বিদেশে বেগম পাড়া তৈরি করেছে। স্বাধীনতার পর ঘুরে ফিরে কয়েকটি দল এদেশে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিল। ‌তারা কেউ বাংলাদেশকে দারিদ্র, সন্ত্রাস, মাদক, আর দুর্নীতিমুক্ত করতে পারেনি।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, এদেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। তারা ইসলামিক দলকে রাষ্ট্র ক্ষমতা দেখতে চায়। কারণ আলেম ওলামারা কখনো দুর্নীতি করেন না। তারা চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, টেন্ডারবাজি, জমি দখল, ফ্লাট দখলের সাথে যুক্ত নয়। তারা পরকালের জন্য কামাই করেন। আর সেটি হল ন্যায়, সত্য এবং ইসলামের পথে থাকা।‌ কাজেই আলেম-ওলামারা দেশ পরিচালনা দায়িত্ব পেলে, তারা জনগণের সেবক হবে, শাসক নয়। একটি ন্যায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কাজ করে যাচ্ছে। যেখানে সকল ধর্মের, বর্ণের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের সুযোগ এবং অধিকার আদায়ের সুযোগ পাবে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার জয়েন সেক্রেটারি মাওলানা  আব্দুস সালাম, মাওলানা মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি নূরে আলম, জেলা প্রচার সম্পাদক হাফেজ আবু ইউসুফ, জেলা অর্থ সম্পাদক হাফেজ কারী রশিদ আহমদ, শহর সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আব্দুল কাদের, শহর শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, অফিস সম্পাদক হাফেজ ইসমাইল, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা তারেক হাসান, সহ-সভাপতি মাওলানা ফজলুল করিম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।