সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

হাদির কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জকসু প্রার্থী শান্তা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৫০ পিএম
হাদির কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জকসু প্রার্থী শান্তা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদীকে গুলির প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষুব্ধ নাগরিক সমাবেশ ও গণ প্রতিরোধে বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন জকসু প্রার্থী শান্তা আক্তার।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শাহবাগ জুলাই মিনারে ইনকিলাব মঞ্চ কর্তৃক এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

শান্তা আক্তার ইনকিলাব মঞ্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সদস্যসচিব এবং আসন্ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। তিনি নিয়মিত ইনকিলাব মঞ্চের কার্যক্রম এবং ওসমান হাদীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শান্তা বলেন, ‘আপনারা আমার ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন। জীবনের সংকট হতে পারে, তার ওপর হামলা হতে পারে তাহলে ইন্টেরিম সরকার কেন আমার ভাইকে নিরাপত্তা দেয়নি? আজকে ওসমান ভাইকে ছাড়া আমরা ইনকিলাব মঞ্চে। যারা জুলাইকে বিক্রির জন্য লেগে পড়েছে, যারা নিজের স্বার্থের জন্য দেশপ্রেমীদের বাঁচতে দিচ্ছে না, তারা সব জানোয়ারের বাচ্চা।’

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, ‘ওসমান ভাইয়ের শ্বাস কিন্তু বন্ধ হয় নাই, ওসমান ভাই কিন্তু মরে নাই, তরা কিন্তু মারার জন্যই চেষ্টা করেছিলি।

মৃত্যুর ফয়সালা জমিনে না আসমানে হয়। এখন পর্যন্ত ওসমান ভাই শ্বাস নিচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ, ওসমান ভাই আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে দোয়া চাইব, আপনারা ওসমান ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াতে এসে যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাতজন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩০ এম
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াতে এসে যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাতজন আটক

বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা ওই বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। তবে পুলিশ তাদের আটকের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) শেষ বিকেলে উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলুর বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর ছোট ভাই সলিল গুহ পিন্টু, মহিবুল আলম খোকন, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম সরদার, মিঠুন হালদার, ওয়াসকুরনী আকন ও পলাশ হাওলাদার। আটক অপর একজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু বলেন, আমাদের বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার অনুষ্ঠান চলছিল। ওই অনুষ্ঠানে আমার কয়েকজন শুভাকাঙ্খীকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল।

Model Hospital

রোববার সন্ধ্যার আগমুহূর্তে বিএনপির কয়েকজন কর্মী-সমর্থক আমাদের বাড়িতে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। পরে তারা লক্ষ্মীপূজার দাওয়াতে আসা ছয়জনসহ আমার ছোট ভাই পিন্টু গুহকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পর সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে।