বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে যানজট নিরসনে রোড ডিভাইডার স্থাপন, পথচারী ও জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৭ পিএম
চাঁদপুরে যানজট নিরসনে রোড ডিভাইডার স্থাপন, পথচারী ও জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি

চাঁদপুরে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং যানজট কমাতে পুলিশ সুপার রবিউল হাসানের নির্দেশনায় ট্রাফিক বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) ট্রাফিক বিভাগের উদ্যাগে শহরের বাইতুল আমিন চত্ত্বর ও জেলা প্রশাসক কার্যালয় (ডিসি) অফিসের সামনে ডিভাইডার দেয়া হয়। যানজট নিরসন, পরিবেশ রক্ষা এবং সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ট্রাফিক বিভাগের এসব কার্যক্রম ইতোমধ্যে জনসাধারণের মাঝে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

এসময় টিআই প্রবীর কুমার দাস, টিআই সদর নিউটন চৌধুরী, সার্জেন্ট আব্দুল জব্বার, সার্জেন্ট আবুল খায়ের, টিএসআই আনোয়ার হোসেন, রফিকুল ইসলাম, এটিএসআই মোজাম্মেল হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, রাস্তায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অবৈধ হকার উচ্ছেদ, অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ট্রাফিক বিভাগ। এসপি’র বিশেষ নির্দেশনায় সপ্তাহ খানেক আগে দায়িত্ব নেওয়া নবাগত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) প্রবীর দাশ এসব কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার তদারকিতে শহরের বিভিন্ন সড়কে প্রতিদিনই কাজ করছে ট্রাফিক বিভাগ। বাইতুল আমিন চত্ত্বর ও ডিসি অফিসের সামনে ডিভাইডার দেয়ায়

Model Hospital

পথচারী এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

চাঁদপুর ট্রাফিক বিভাগের টিআই প্রবীর কুমার দাশ গণমাধ্যমকে জানান, এসপি মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনায় আমরা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করছি। পাশাপাশি রাস্তায় মোটরসাইকেলের অনাকাঙ্ক্ষিত সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার বন্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি। এসব সাউন্ড সিস্টেম পরিবেশে শব্দ দূষণের বড় কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাইতুল আমিন চত্ত্বর ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে পরীক্ষামূলকভাবে রোড ডিভাইডার স্থাপন করেছি। এতে আমরা খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। জনগণও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছেন। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতেও এমন ডিভাইডার স্থাপন করা হবে।

রাস্তায় অবৈধভাবে বসে থাকা হকারদের উচ্ছেদেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ। জনগণের স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।