রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে প্রকাশ্যে আড়াই লাখ টাকা ছিনতাইয়ের সময় দুই নারীকে আটক

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৪২ পিএম
ফরিদগঞ্জে প্রকাশ্যে আড়াই লাখ টাকা ছিনতাইয়ের সময় দুই নারীকে আটক

ফরিদগঞ্জে আটককৃত দুই নারী ছিনতাইকারী।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বের হওয়ার সময় এক নারীর ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে দুই নারী ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পারুল বেগম জানান, তিনি ও তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন ফরিদগঞ্জ কলাবাগান এলাকায় অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক শাখা থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে বের হন। পরে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ দুই নারী তার হাতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ টান দিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় তিনি ‘চোর, চোর’ বলে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে ওই দুই নারীকে আটক করেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি থানায় জানালে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পারুল বেগম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আটককৃত দুই নারী হলেন— টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার বলরামপুর এলাকার খালেক বেপারীর মেয়ে শুভা আক্তার (১৯) এবং একই এলাকার রফিকুল ইসলাম বেপারীর স্ত্রী মৌসুমী বেগম (২৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর শহরের গাছতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল। তারা বিভিন্ন উপজেলা এলাকায় ঘুরে ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা তুলে যাওয়ার পথে ফরিদগঞ্জ বাজারের সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে স্থানীয় জনগণ তাদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাই চেষ্টার মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদরের ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কবির হোসেন চোকদার দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকার বিভিন্ন বংশের মুরব্বিদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়ালনগর পাটোয়ারী বাজার মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজরাজেশ্বর প্রধানীয়া বংশীয় মুরব্বি হাজী কাদির প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম চোকদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী দেওয়ান, এলাকার মুরব্বি কাদির প্রধানীয়া, মোহাম্মদ মিজি, সাইদ দেওয়ান, আব্দুল বেপারী, আমু ঢালী, আলমগীর মাল, শফিকুল কুড়ালী, জাহাঙ্গীর সরকার, আবু বকর পাটোয়ারী, আবুল বকাউল, রহমান প্রধানিয়া, নাসির রাঢ়ি, নবীর দেওয়ান, সেকুল দেওয়ান, এবাদুল্লাহ দেওয়ান, হুমায়ুন বেপারী, ফজল সরকার, মুকবুল আসামি, মানিক ভুঁইয়া, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল মিজি, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাবুল প্রধানীয়া, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি হানিফ ঢালী, ৪নং ওয়ার্ডে সভাপতি সেকুল বেপারী, ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মাল, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সরকার, ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ দেওয়ানা, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাচ্চু বেপারী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে আমরা একজন সৎ, আদর্শবান এবং দক্ষ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই। যিনি এই ইউনিয়নকে সত্যিকার অর্থে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে। সেই নেতৃত্বের সকল গুণাবলী আমরা ওই এলাকার কৃতি সন্তান কবির হোসেন চৌকদারের ভেতরে দেখছি। আমরা বিশ্বাস করি তিনি বাবা মায়ের মতোই একজন জনবান্ধব এবং যোগ্য জনপ্রতিনিধি হবেন। তাই দলের প্রতি অনুরোধ করবো আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে যেন দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কবির হোসেন চোকদার তার বক্তব্যে বলেন, আমার বাবা-মা দুজনেই এই এলাকার জনপ্রতিনিধি ছিলেন। আজ পর্যন্ত তারা কেউ এলাকা ছেড়ে যাননি। আমিও আমার বাবা-মায়ের আদর্শকে ধারণ করে এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। এলাকার মানুষের সুখ দুঃখের দীর্ঘ সময় পাশে ছিলাম। জনপ্রতিনিধি হই বা না হই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এলাকায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাব।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করে বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে স্বক্রিয় ছিলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি, আমার দল আগামী ইউনিয়ন নির্বাচনে আমাকে মূল্যায়ন করবে। এরপরে দল থেকে যে সিদ্ধান্ত নিবে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই আমি সামাজিক কাজ করে যাব। আমাদের অভিভাবক চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাই রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গডে তোলার এই অগ্রযাত্রায় আমিও একজন সারথী হতে চাই। এজন্য আমি আপনাদের দোয়া, সমর্থন এবং ভালোবাসা কামনা করছি।

সভায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, শ্রমিক দল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব এবং এলাকার মুরুব্বীরা উপস্থিত ছিলেন।