রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ঐতিহ্যবাহী খাদ্য ভান্ডার ‘বনফুল’ চাঁদপুর শাখা উদ্বোধন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৪ পিএম
ঐতিহ্যবাহী খাদ্য ভান্ডার ‘বনফুল’ চাঁদপুর শাখা উদ্বোধন

চাঁদপুরে ঐতিহ্যবাহী খাদ্য ভান্ডার ‘বনফুল’ চাঁদপুর শাখা উদ্বোধন করছেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

ঐতিহ্যবাহী খাদ্য ভান্ডার ‘বনফুল’-চাঁদপুর এর নতুন শাখার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় ফ্যামিলি বাজারের পাশে এ শাখাটির উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বনফুল কর্তৃপক্ষ জানান, বিশুদ্ধ ও মানসম্মত খাদ্য পরিবেশনার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বনফুল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দেশজুড়ে ভোক্তাদের কাছে স্বাস্থ্যসম্মত ও ঐতিহ্যবাহী খাবার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত নতুন নতুন বিশুদ্ধ খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করছে। বনফুল কোম্পানির চলমান অভিযাত্রার অংশ হিসেবেই এ নতুন শাখাটি চালু করা হয়েছে। গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসাকে পুঁজি করে ভবিষ্যতেও সারা দেশে বনফুলের শাখা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বনফুল চাঁদপুর শাখার শাখার পরিচালক আজাদ গাজী বলেন, বিশ্বস্ত খাবারের বিশ্বস্ত নাম বনফুল। সেই বনফুল শাখায় সবাইকে আসার আমন্ত্রণ রইল। ইনশাআল্লাহ খাবারের গুণগত মান ঠিক রেখেই আপনাদের সেবা দিয়ে যাব।

Model Hospital

নতুন শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. গাজী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন মেহেদী হাসান বলেন, বনফুল বাংলাদেশ এর একটি সুপরিচিত ও বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান। এমন প্রতিষ্ঠানের শাখা আমাদের চাঁদপুর এ পেয়ে আমরা আনন্দিত। তবে আমরা একটা জিনিসই চাইব যেন খাবারের মান ঠিক থাকে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বনফুল এর এসিস্ট্যান্ট সেলস ম্যানেজার খোরশেদুল আব্বাস, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান আকাশ, চাঁদপুর জেলা জামায়াতে নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শহিদ উল্যাহ পাটোয়ারী, প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নাজমুল ইসলাম খান পলাশ, ফয়েজ আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও বনফুলের শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।