রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ জামায়াত-এনসিপির ষড়যন্ত্র : মোমিন মেহেদী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৬ পিএম
সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ জামায়াত-এনসিপির ষড়যন্ত্র : মোমিন মেহেদী
নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, জাতীয় সংসদে জামায়াত-এনসিপির রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডই বলে দিচ্ছে যে, এই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ জামায়াত-এনসিপির ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করা। শহীদ মিনারে প্রকাশে গুলি বর্ষণ, খুলনায় যুবদল নেতার খুন-কুষ্টিয়ায় জামায়াত নেতা কর্তৃক ধর্ষণসহ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোই বলে দিচ্ছে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে এই সরকারের বিরোধী পক্ষ থেকে।

১৭ মার্চ সকালে তোপখানা রোডস্থ কার্যালয়ে ঈদকে কেন্দ্র করে জনতার চাওয়া শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় নতুনধারার প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, সদস্য হাশেম মোল্লা প্রমুখ আরো বলেন, বাংলাদেশ-স্বাধীনতার বিরুদ্ধে থাকা কারো নামে শোক প্রস্তাব মানে নীতির বাইরে অবস্থান নেয়া। আর এই অবস্থান নেয়ার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সকল সদস্যই ইতিহাসে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবেন। আমরা মনে করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশ বিরোধী দল জামায়াত ইসলাম এবং যুদ্ধাপরাধীদের দলকে সমর্থন করায় এনসিপিসহ ১১ দলের নিবন্ধন বাতিল করে বাংলাদেশ-এর রাজনীতিকে কলুষমুক্ত করার দাবি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের প্রতিটি মানুষের।

এসময় মোমিন মেহেদী আরো বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার ্িবষয়ে সরকার কোনো অভিযোগ বক্স বা বিশেষ নাম্বারে কল করার ব্যবস্থা না করলেও সরকারের মন্ত্রী বলছে- অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার কোনো অভিযোগ আসেনি।

অভিযোগ করার ব্যবস্থা না থাকলে যারা ভূক্তভোগি, তারা অভিযোগ জানাবে কিভাবে। সেই সাথে মোমিন মেহেদী ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, আপনার দায়িত্ব জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা দেয়া; তাদের সম্পদ সংগ্রহ করা নয়। এসময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দ্যেশ্যে বলেন, নতুন সরকারের নতুন মন্ত্রী হয়েছেন নিরাপত্তা আর বিচার ব্যবস্থার উন্নয়ন করার জন্য আপনার গুম ঘটনা থেকে শিক্ষা নিন, জগগণকে নিরাপদে বাঁচতে দিন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।