রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রান্তিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
প্রান্তিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ

চাঁদপুরে প্রান্তিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ২৯ জুন সোমবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের আল আমিন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের বাবুরহাট শাখায় এই আয়োজন করা হয়। ‘ঠিকানার খোঁজে শিকড়ের সন্ধানে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতি বছরের ন্যায় বছরেও বৃক্ষরোপণ এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘গাছ লাগাই পরিবেশ বাঁচাই।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রান্তিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ বাবুরহাট শাখার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল।

সহকারী শিক্ষক মনির হোসেনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রান্তিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোবারক পালোয়ান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহসিন গাজী, শিক্ষক গোলাম আযম, সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ তাহসান আহমেদসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই গাছের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকে যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করে তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেয়, তাহলে দেশ আরও সবুজ ও সুন্দর হয়ে উঠবে। তারা পরিবেশ সংরক্ষণে সকলকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

Model Hospital

এসময় আল আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ বাবুরহাট শাখার অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।