রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ডিটারজেন্টের মোড়কে চিপস খেয়ে ১২ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পিএম
ডিটারজেন্টের মোড়কে চিপস খেয়ে ১২ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

স্কুলের পাশের চিপসের দোকানে অভিযান চালাচ্ছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটের রামপালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী ও এক নারী অভিভাবক চিপস খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরের এ ঘটনায় তাদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বড় দূর্গাপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফেরদৌসি। তিনি দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ চিপস ও ডিটারজেন্টের মোড়কে চিপস বিক্রির প্রমাণ পান। এ সময় এলাকাবাসীর দাবির মুখে তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি বন্ধ করে দেন।

বাগেরহাটের রামপালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী ও এক নারী অভিভাবক চিপস খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরের এ ঘটনায় তাদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বড় দূর্গাপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফেরদৌসি। তিনি দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ চিপস ও ডিটারজেন্টের মোড়কে চিপস বিক্রির প্রমাণ পান। এ সময় এলাকাবাসীর দাবির মুখে তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি বন্ধ করে দেন।

Model Hospital

ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বন,পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম মৈত্রী হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, উপজেলার বড় দূর্গাপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি দোকান থেকে সোমবার দুপুরে

অনুমোদনহীন চিপস কিনে খাওয়ার পর তাদের মধ্যে খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটে ব্যথা, বমি ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে তাদের দ্রুত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রস্থ মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অসুস্থ ওই শিক্ষার্থীরা হলো– প্রাপ্তি অধিকারী (১০), তুফান শেখ (১৩), রাজদীপ (১০), আখিরা (১১), লামিয়া (১১), জান্নাতুল (১০), আরহী মন্ডল (৫), রাহুল মন্ডল (৮), সৃস্টি বিশ্বাস (১০), ফাতেমা আক্তার (৮), আমবিকা (৬), প্রোভাতী (১০) ও অভিভাবক দিপিকা হালদার (২৮) । এদের ভেতর জান্নাতুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ার তাকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

মৈত্রী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাকিব রেজোয়ান জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনকে মৈত্রী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৈত্রী হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হয়েছে। সেখানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।