রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে মো: জসিম উদ্দিন শেখকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৭ পিএম
চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে  মো: জসিম উদ্দিন শেখকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান
চান্দ্রা শিক্ষিত বেকার যুব বহুমূখী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো: জসিম উদ্দিন শেখকে চাঁদপুর প্রেস ক্লাব পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।
২৫ অক্টোবর দুপুরে চাঁদপুরস্থ চান্দ্রা শিক্ষিত বেকার যুব বহুমূখী সমবায় সমিতির কার্যালয়ে তাকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন চাঁদপুর  প্রেস ক্লাবে সভাপতি সোহেল রুশদী ও সাধারন সম্পাদক এম এ লতিফ।
জানা গেছে, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার একটি সফল ও সুপরিচিত সমবায় প্রতিষ্ঠান চান্দ্রা শিক্ষিত বেকার যুব বহুমুখী সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও চেয়ারম্যান। সমবায় খাতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সমবায় পুরস্কারও লাভ করেছেন।
২০০১ সালে তার নেতৃত্বে “চান্দ্রা শিক্ষিত বেকার যুব বহুমুখী সমবায় সমিতি” নিবন্ধিত হয় এবং তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব নেন।
এছাড়াও তিনি দীর্ঘ সময় ধরে এই সমিতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ১২তম কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন (যা ২০২৪ সাল থেকে চলমান)। এ ছাড়া তিনি  জাতীয় পর্যায়ে সমবায় আন্দোলনে যুক্ত থাকার সুবাদে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ১৯৮০ সালের ডিসেম্বর মাসে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সকদিরামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আব্দুছ ছাত্তার শেখ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে (বাপাউবো) কর্মরত ছিলেন এবং মাতা নূরজাহান বেগম একজন গৃহিণী।
চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, চান্দ্রা শিক্ষিত বেকার যুব বহুমূখী সমবায় সমিতির সভাপতি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সমবায়ী পুরস্কারপ্রাপ্ত চাঁদপুরের কৃতিসন্তান মো: জসিম উদ্দিন শেখ একজন সফল ব্যক্তি।তিনি চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য।  তার সমবায় সমিতি সারাদেশে সুনাম অর্জন করেছি। জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন। তার চান্দ্রা সমবায় সমিতি থেকে ঋন নিয়ে ছোট- বড় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ  স্বাবলম্বী হয়েছে। তার সমবায় সমিতিতে চাঁদপুরের বহু লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। চাঁদপুর প্রেস ক্লাব তার  সমবায় সমিতির কার্যক্রমকে স্বাগত জানাচ্ছি।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।