রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে ৩,৯২০ পিস ইয়াবাসহ ট্রাক ও ১৩ টন রড জব্দ, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:০৭ পিএম
চাঁদপুরে ৩,৯২০ পিস ইয়াবাসহ ট্রাক ও ১৩ টন রড জব্দ, গ্রেপ্তার ২

চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ হাজার ৯২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ৫ টন ধারণক্ষমতার ট্রাক ও ট্রাকে থাকা ১৩ টন রড জব্দ করেছে পুলিশ। জব্দ করা ট্রাক ও রডের আনুমানিক বাজারমূল্য যথাক্রমে ৩৫ লাখ ও ১৩ লাখ টাকা।

রোববার (১ নভেম্বর) ভোর ৫টা ১০ মিনিটের দিকে চাঁদপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ারলেছ বাজার মোড়ে স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে পাকা সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ভোলা জেলার দৌলতখান থানার চরসফি গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক মিয়া ও জোহরা খাতুনের ছেলে মো. জামাল হোসেন (৪২) এবং একই উপজেলার দলিঘাট গ্রামের বজলুর রহমান ও মনোয়ারা বেগমের ছেলে মো. নিজাম উদ্দিন (৩০)। তাঁরা বর্তমানে চট্টগ্রামের সদরঘাট থানাধীন ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের পৃথক এলাকায় বসবাস করেন।

চাঁদপুর জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবীরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফয়েজ আহম্মেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এসআই (নিরস্ত্র) আবুল কালাম গাজী, এএসআই নয়ন মিয়া ও এএসআই কামরুল ইসলামসহ থানার একটি চৌকস দল অংশ নেয়।

Model Hospital

পুলিশ জানায়, অভিযানে ৩ হাজার ৯২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, আনুমানিক ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের হলুদ রঙের একটি ৫ টন ধারণক্ষমতার ট্রাক এবং ট্রাকে থাকা আনুমানিক ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ১৩ টন রড জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানে চাঁদপুর জেলা পুলিশের এই সাফল্য মাদক কারবারের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতারই প্রতিফলন।

কচুয়ায় নিকাহ রেজিস্ট্রার জসিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, মিথ্যা দাবি কাজীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ পিএম
কচুয়ায় নিকাহ রেজিস্ট্রার জসিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, মিথ্যা দাবি কাজীর

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের নিকাহ্ রেজিস্ট্রার (কাজী) মো. মেজবাহ উদ্দিন জসিমের বিরুদ্ধে শিক্ষাগত সনদ জাল ও বাল্যবিবাহ সম্পাদনের অভিযোগ তুলেছেন আব্দুল গফুর নামের এক ব্যক্তি। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন কাজী জসিম।

সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় কাজী মেজবাহ উদ্দিন জসিম জানান, ২০১১ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে তিনি সততা ও সুনামের সঙ্গে ১০ নং গোহট উত্তর ইউনিয়নে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে তাঁর দায়িত্ব কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং বিভিন্নভাবে তাঁকে হুমকি দিয়ে আসছে।

তিনি আরও জানান, এর আগেও তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নিয়োগ নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তা বাতিল করে দেয়। এখন নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কাজী জসিম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হোক। প্রশাসনকে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি মিথ্যা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

Model Hospital

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল গফুরের মুঠোফোন যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।