মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়া টু কালিয়াপাড়া সড়কের সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম, তদারকিতে নেই সওজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ এপ্রিল, ২০২২, ৪:১৫ পিএম
কচুয়া টু কালিয়াপাড়া সড়কের সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম, তদারকিতে নেই সওজ

মো. রাছেল : কালিয়াপাড়া থেকে কচুয়া সড়কের সাড়ে ১৩ কিলোমিটার অংশের সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

সরজমিনে দেখা যায়, সড়কটির ১৩ কিলোমিটার অংশে সংস্কার কাজের কার্পেটিং এ ঘনত্ব ৪০ মিলিমিটার দেওয়ার কথা থাকলেও সড়কটিতে দেওয়া হচ্ছে ২৬ থেকে ৩০ মিলিমিটার ঘনত্ব। প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সড়কটি সংস্কার কাজের দরপত্র পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রানা বিল্ডার্স।

সড়কটির কোন কোন স্থানে বালুর উপর আবার কোন কোন স্থানে মাটির উপর কার্পেটিং করা হচ্ছে। আবার কিছু অংশে কার্পেটিং পরছে না, সেই অংশটিকে মাটি দিয়ে ভরাট করে দিচ্ছে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা। সড়কটির উচু নিচু অংশগুলো কার্পেটিং দিয়ে মিলিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না। কোনরকম তড়িঘড়ি করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি সংস্কার কাজ করে যাচ্ছে। ফলে অল্প কয়েকদিনেই সড়কটির ১১ কিলোমিটার সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে সড়কটির সংস্কার কাজের তদারকিতে দেখা যায়নি সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোন কর্মকর্তাকে।

Model Hospital

এ নিয়ে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। যদিও অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ চাঁদপুরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (অঃ দাঃ) ও সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, সড়ক ও জনপদ বিভাগ চাঁদপুর এর নির্বাহী প্রকৌশলী সামছুজ্জোহা, সহকারী প্রকৌশলী ও উপ সহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ নিয়মিত সড়কটির সংস্কার কাজ তদারকি করে যাচ্ছে। কিছু কিছু জায়গায় রাস্তার অনিয়মের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সমাধান করে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের কালিয়াপাড়া হতে কচুয়া-গৌরিপুর সড়কের সংযোগ স্থলটি হল মাত্র সাড়ে ১৩ কিলোমিটার। এই রাস্তাটি সংস্কার হলে শাহরাস্তি ও লাকসামের ঢাকাগামী যাত্রীদের প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সড়ক রাস্তা বেঁচে যায়। যাতে সময় বাঁচে প্রায় ১ ঘন্টা। সেই হিসেবে দীর্ঘদিন এই সাড়ে ১৩ কিলোমিটার রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় যাত্রীদের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

রাস্তাটি নির্মানে নিম্নমানের কাজের ফলে যে উদ্দেশ্যে সড়ক বিভাগ দীর্ঘদিন পরে হলেও সংস্কার কাজে হাত দেয় তা নির্ধারিত সময়ের আগেই বিনষ্ট হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ফলে সরকারের ব্যয় করা অর্থ যেন গচ্ছা যাচ্ছে। স্থানীয়রা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”