বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়া বাজারে ৪০ বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে পাড়াপার, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ পিএম
কচুয়া বাজারে ৪০ বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে পাড়াপার, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

কচুয়া উত্তর বাজারের ঝুঁকিপূর্ন রেলিং বিহীন ব্রিজ।

চাঁদপুরের কচুয়া পৌর উত্তর বাজারের কাঠ বাজারে খালে অবস্থিত ব্রিজটি দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে ঝুকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে। এতে যেকোনো সময় প্রানহানী সহ বড়ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

সরজমিনে জানা গেছে প্রায় ৪০ বছর আগে নির্মিত এই ব্রিজের নিচের অংশ ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিজের উপরের দুপাশের কোন প্রকার সুরক্ষা বেষ্টনী রেলিং নেই রয়েছে শুধু রড। এই ব্রিজের উপর দিয়ে স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী এবং বাজারের ব্যবসায়ীরা সহ বিভিন্ন দূরদূরান্তের লোকজন যাতায়াত করে। এই ব্রিজের পাশেই রয়েছে সাব রেজিষ্টার অফিস, ভূমি অফিস ও পৌর বাজার। এছাড়াও আশপাশে রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ বাড়িঘর। সন্ধ্যার পর এই ব্রিজের উপর দিয়ে সাধারন লোকজন আসা-যাওয়া করতে ভয় পায়।

বর্ষার মৌসুমে এই ব্রিজের পিলারের মাটি সরে গিয়ে পুরো ব্রিজ টি একেবারে নর-বড় হয়ে গেছে। এই ব্রিজের নিচের অংশে বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পিলারের প্লাস্টার খসে পড়ে শুধুমাত্র রড দেখা যায়।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজটি দীর্ঘ ৪০ বছরের পুরনো হলেও এখানে উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। তাই অতি দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ এ ব্রিজের সংষ্কার কিংবা নতুন করে নির্মানের দাবি জানান তারা।

Model Hospital

এব্যাপারে কচুয়া পৌর প্রশাসক মো: মাহমুদুল হাসান রাসেল বলেন, খোঁজ-খবর নিয়ে ব্রিজটি নির্মানের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।