বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে দেবর কর্তৃক ভাবিকে মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২, ৩:০৬ পিএম
মতলব উত্তরে দেবর কর্তৃক ভাবিকে মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

মতলব উত্তর ব্যুরো : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার জামালপুর গ্রামের লিটন সরকারের স্ত্রী মিনারা আক্তার (৩৪) কে মারধর করে গুরুতর জখম করে তারই আপন দেবর রিপন সরকার। শুধু তাই নয় বককাচি দিয়ে মিনারার হাত কেটেও মারাত্মক জখম করেছে। গত ৫ জুলাই বিকালে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পরে বুধবার মিনারা বাদী হয়ে মতলব উত্তর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মিনারার স্বামী লিটন সরকার ঢাকাতে চাকুরী করে। তিনি তিন সন্তান নিয়ে বাড়িতে থাকেন। উদ্দেশ্য প্রনোদীত ভাবে তার দেবর বিভিন্ন সময় মিনারার সন্তানদেরকে মারধর করে। এতে বাধা দেওয়া মিনারাকেও পূর্বে একাধিকবার মারধর করেছে তার দেবর। এই নিয়ে একাধিক বার শালিশ বৈঠক বসলেও কোন তোয়াক্কা করেনি দেবর রিপন। একই বিষয় নিয়ে গত ৫ জুলাই বিকালে মিনারাকে গালমন্দ করে।

এতে প্রতিবাদ করলে রিপন ঘরে প্রবেশ করে মিরারাকে চুলের মুঠি ধরে এলোপাথারী চর থাপ্পর মারে এবং নাকে মুখে জখম করে মাটিতে ফেলে দেয়। রিপনের হাতে থাকা কাঠের লাঠি দিয়ে হাত পা সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পিটিয়ে আহত করে। এ পর্যায়ে বককাচি দিয়ে বা হাতের কবজিতে কোপ দিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। তাকের টেনে হিচরে শ্লীলতাহানি করে। এবং মিনারাকে ও তার সন্তানদেরকে খুন করে লাশ গুম করবে বলেও হুমকি দেয় দেবর রিপন। মিনারার ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে মতলব উত্তর কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়।

বাদী মিনারা বলেন, আমাকে বিগত দিন ধরে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে আসছে। কিছু বলতে গেলেই গালমন্দ করে আর মারধর করে। এলাকার শালিশ বৈঠকে কোন সমাধান মানে না। সর্বশেষ এই ঘটনায় আমাকে মারধর করেছে। কোন উপায়ন্তর না পেয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এদিকে ঘটনার পর থেকে রিপন বাড়ি নেই।

Model Hospital

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।