ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ এখন চাঁদপুরে

বিশেষ প্রতিনিধি : এ দেশকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা এ স্বাধীন বাংলাদেশকে মুক্ত করার লক্ষে পশ্চিমাদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার শপথ নিয়ে দেশবাসীকে একত্রিত করেছিলেন ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সে সময়কার ক্ষমতায় থাকা সরকারের বিরুদ্ধে সেদিনটিতে যুদ্ধ ঘোষনার সময় কাল, সেই সময়ের প্রায় ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়ের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে তৈরী করা ও এদেশকে স্বাধীন বাংলায় রুপদান করার সময় পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর অসীম অবদান কালীন স্মৃতিবিজরিত স্বচিত্র ও ভিডিও নিয়ে রেলট্রেনের ভিতরে প্রদর্শিত করা হয় ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ সেই জাদুঘর এখন চাঁদপুরে অবস্থান করে বর্তমান ও এদেশের নতুন প্রজন্মকে স্মৃতিবিজরিত বিষয়টি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রদর্শিত কওে দেখানো হচ্ছে।

Model Hospital

এতে করে আমাদের এ প্রজন্মের সন্তানরা উপলদ্বি করতে পারবে কিভাবে কার অবদানে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ভূ-খন্ড ও একটি লাল সবুজের পতাকা। এ দেশে ৯মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্বের বিনিময়ে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ২লক্ষ মা’বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলা মাতৃ ভাষার একটি দেশ পেয়ে আজ আমরা স্বাধীন ভাবে বসবাস করতে পারছি।

এ যাদুঘরটি বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে স্বাধীনতা ও জাতীর পিতা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবকাল থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত এ দেশের জন্য তার যে কঠিন ত্যাগ গাঁথা অবদান তা’ স্বচিত্র আকারে তুলে ধরতে প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রদর্শন করার জন্য ৩দিন চাঁদপুর অবস্থান করছেন, ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ । এতে করে আমাদের বর্তমান ও আগামী নতুন প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে প্রকৃত ইতিহাস জানতে ও বুঝতে পারার জন্যই সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।

এসব চিত্র দেখতে জেলার ৮টি উপজেলা থেকে চাঁদপুর শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে শত-শত শিশু,কিশোর,যুবক,যুবতীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ দর্শনার্থীরা জাদুঘরে এসে উৎসাহ উদ্দীপনায় মধ্য দিয়ে ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরটি স্বশরীওে দেখে উপভোগ করতে দেখা যাচ্ছে ।

বাংলাদেশে স্থপতি জাতীর শেষ্ঠ সন্তান জাতীর পিতা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবকাল থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সে সময়কার অবদান ও এ দেশের স্বাধীনতা যুদ্বের সময়কার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নিয়ে বাংলাদেশ রেল মন্ত্রনালয়ের উদ্যের্গে একটি মহতি পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। যা’এ জাতী খুব আনন্দের সাথে গ্রহন করতে দেখা যাচ্ছে।

যা’সর্বমহলে প্রশংসার দাবীদার হিসেবে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশ রেল মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে,রেলওয়ের ট্রেনের বর্গিতে স্থাপন করা হয়েছে,’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’প্রদর্শনী।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ কালে জানা গেছে,দেশের স্বাধীনতার যুদ্বের ইতিহাস তথা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে এ দেশের জন্য রেখে যাওয়া অবদান গুলো আমাদের বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে সঠিক ভাবে তা’ তুলে ধরার জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সংক্ষিপ্ত ভাবে জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ ট্রেনের বর্গিতে সৃস্টির মধ্যদিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে তা’প্রদর্শন করে জাতীর কাছে মুক্তিযুদ্বের ইতিহাস তুলে ধরার চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

রেলওয়ের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপকালে তারা জানান, দেশের মানুষের মাঝে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এর অবদান তথা মুক্তিযুদ্বের ইতিহাস নিয়ে ২টি ভাগে বিভক্ত করে একটি রেলওয়ের পূর্ব অঞ্চলে ও একটি রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শন করে যাচ্ছে এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ । যার অংশ হিসেবে এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’টি চাঁদপুরে অবস্থান করছে।

গতকাল মঙ্গলবার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’টি রেলওয়ের ট্রেনে স্থাপন করা এ ট্রেনটি চাঁদপুরে এসে আবস্থান নেন শহরের চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায়। এটি চাঁদপুরে ৩দিন অবস্থান শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে লাকসাম ও কুমিল্লার উদের্শে চাঁদপুর ত্যাগ করবে।

এ বিষয়ে সরোজমিনে কথা হয়,এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’টি চাঁদপুরে নিয়ে আসা রেলওয়ে মন্ত্রনালয়ের অধীনের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মাহমুদুল হাসান। তাকে সহযোগিতার জন্য এ ট্রেনে একটি টিম সার্বক্ষনীক কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তিনি বলেন,আমাদের মন্ত্রলয়ের মূল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়কালের ইতিহাস বর্তমান ও নতুন প্রজন্মেরকাছে তুলে ধরা। পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবকাল তথা ১৯২০ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতার ঐতিহাসিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, সংগ্রামী ঘটনা প্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। দেশের জন্য দেশ স্বাধীনের পেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর ভুমিকার ইতিহাস দেশবাসী ও আগামী প্রজন্মের মধ্যে প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা। এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশবাসী জানতে পারবে বঙ্গবন্ধু এ দেশের জন্য কি অবদান রেখে গিয়েছেন।

এ ছাড়া এ প্রদশর্নীর মাধ্যমে দেশবাসী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, অধিকার আদায়ের আন্দোলন, সংগ্রাম এবং তার অসামান্য কর্মজীবন প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’। এখানে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,১৯৬৬ সালের ৬দফা,১৯৬৯ ক সালে ‘বঙ্গবন্ধুর ১১দফা,১৯৭০ এ নির্বাচন ও ২৬মার্চ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষনা এ সময় কালের পেক্ষাপট স্বচিত্র আকাওে তুলে ধরা হয়েছে।

মঙ্গলবার ৩০ আগস্ট থেকে বৃহস্পতিবার ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশনে ৩ দিনব্যাপী অবস্থান করেছে বিশেষ এ জাদুঘর’প্রদর্শিত ট্রেনটি।

এদিকে, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ চাঁদপুরে আসার সংবাদ জানতে পেরে পরিদর্শনে এসেছেন চাঁদপুর পৌর সভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, প্যানের মেয়র ফরিদা ইলিয়াছ। স্থানীয় কাউন্সিলর সফিকুল ইসলাম, আক্কাস আলী রেলওয়ের একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. গোফরানসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার শত-শত মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন’র চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোক্তা মিটআপ

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ এখন চাঁদপুরে

আপডেট সময় : ১১:২৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি : এ দেশকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা এ স্বাধীন বাংলাদেশকে মুক্ত করার লক্ষে পশ্চিমাদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার শপথ নিয়ে দেশবাসীকে একত্রিত করেছিলেন ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সে সময়কার ক্ষমতায় থাকা সরকারের বিরুদ্ধে সেদিনটিতে যুদ্ধ ঘোষনার সময় কাল, সেই সময়ের প্রায় ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়ের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে তৈরী করা ও এদেশকে স্বাধীন বাংলায় রুপদান করার সময় পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর অসীম অবদান কালীন স্মৃতিবিজরিত স্বচিত্র ও ভিডিও নিয়ে রেলট্রেনের ভিতরে প্রদর্শিত করা হয় ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ সেই জাদুঘর এখন চাঁদপুরে অবস্থান করে বর্তমান ও এদেশের নতুন প্রজন্মকে স্মৃতিবিজরিত বিষয়টি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রদর্শিত কওে দেখানো হচ্ছে।

Model Hospital

এতে করে আমাদের এ প্রজন্মের সন্তানরা উপলদ্বি করতে পারবে কিভাবে কার অবদানে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ভূ-খন্ড ও একটি লাল সবুজের পতাকা। এ দেশে ৯মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্বের বিনিময়ে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ২লক্ষ মা’বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলা মাতৃ ভাষার একটি দেশ পেয়ে আজ আমরা স্বাধীন ভাবে বসবাস করতে পারছি।

এ যাদুঘরটি বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে স্বাধীনতা ও জাতীর পিতা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবকাল থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত এ দেশের জন্য তার যে কঠিন ত্যাগ গাঁথা অবদান তা’ স্বচিত্র আকারে তুলে ধরতে প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রদর্শন করার জন্য ৩দিন চাঁদপুর অবস্থান করছেন, ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ । এতে করে আমাদের বর্তমান ও আগামী নতুন প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে প্রকৃত ইতিহাস জানতে ও বুঝতে পারার জন্যই সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।

এসব চিত্র দেখতে জেলার ৮টি উপজেলা থেকে চাঁদপুর শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে শত-শত শিশু,কিশোর,যুবক,যুবতীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ দর্শনার্থীরা জাদুঘরে এসে উৎসাহ উদ্দীপনায় মধ্য দিয়ে ’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরটি স্বশরীওে দেখে উপভোগ করতে দেখা যাচ্ছে ।

বাংলাদেশে স্থপতি জাতীর শেষ্ঠ সন্তান জাতীর পিতা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবকাল থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সে সময়কার অবদান ও এ দেশের স্বাধীনতা যুদ্বের সময়কার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নিয়ে বাংলাদেশ রেল মন্ত্রনালয়ের উদ্যের্গে একটি মহতি পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। যা’এ জাতী খুব আনন্দের সাথে গ্রহন করতে দেখা যাচ্ছে।

যা’সর্বমহলে প্রশংসার দাবীদার হিসেবে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশ রেল মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে,রেলওয়ের ট্রেনের বর্গিতে স্থাপন করা হয়েছে,’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’প্রদর্শনী।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ কালে জানা গেছে,দেশের স্বাধীনতার যুদ্বের ইতিহাস তথা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে এ দেশের জন্য রেখে যাওয়া অবদান গুলো আমাদের বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে সঠিক ভাবে তা’ তুলে ধরার জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সংক্ষিপ্ত ভাবে জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ ট্রেনের বর্গিতে সৃস্টির মধ্যদিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে তা’প্রদর্শন করে জাতীর কাছে মুক্তিযুদ্বের ইতিহাস তুলে ধরার চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

রেলওয়ের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপকালে তারা জানান, দেশের মানুষের মাঝে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এর অবদান তথা মুক্তিযুদ্বের ইতিহাস নিয়ে ২টি ভাগে বিভক্ত করে একটি রেলওয়ের পূর্ব অঞ্চলে ও একটি রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শন করে যাচ্ছে এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ । যার অংশ হিসেবে এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’টি চাঁদপুরে অবস্থান করছে।

গতকাল মঙ্গলবার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’টি রেলওয়ের ট্রেনে স্থাপন করা এ ট্রেনটি চাঁদপুরে এসে আবস্থান নেন শহরের চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায়। এটি চাঁদপুরে ৩দিন অবস্থান শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে লাকসাম ও কুমিল্লার উদের্শে চাঁদপুর ত্যাগ করবে।

এ বিষয়ে সরোজমিনে কথা হয়,এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’টি চাঁদপুরে নিয়ে আসা রেলওয়ে মন্ত্রনালয়ের অধীনের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মাহমুদুল হাসান। তাকে সহযোগিতার জন্য এ ট্রেনে একটি টিম সার্বক্ষনীক কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তিনি বলেন,আমাদের মন্ত্রলয়ের মূল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়কালের ইতিহাস বর্তমান ও নতুন প্রজন্মেরকাছে তুলে ধরা। পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবকাল তথা ১৯২০ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতার ঐতিহাসিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, সংগ্রামী ঘটনা প্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। দেশের জন্য দেশ স্বাধীনের পেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর ভুমিকার ইতিহাস দেশবাসী ও আগামী প্রজন্মের মধ্যে প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা। এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশবাসী জানতে পারবে বঙ্গবন্ধু এ দেশের জন্য কি অবদান রেখে গিয়েছেন।

এ ছাড়া এ প্রদশর্নীর মাধ্যমে দেশবাসী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, অধিকার আদায়ের আন্দোলন, সংগ্রাম এবং তার অসামান্য কর্মজীবন প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’। এখানে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,১৯৬৬ সালের ৬দফা,১৯৬৯ ক সালে ‘বঙ্গবন্ধুর ১১দফা,১৯৭০ এ নির্বাচন ও ২৬মার্চ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষনা এ সময় কালের পেক্ষাপট স্বচিত্র আকাওে তুলে ধরা হয়েছে।

মঙ্গলবার ৩০ আগস্ট থেকে বৃহস্পতিবার ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশনে ৩ দিনব্যাপী অবস্থান করেছে বিশেষ এ জাদুঘর’প্রদর্শিত ট্রেনটি।

এদিকে, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর’ চাঁদপুরে আসার সংবাদ জানতে পেরে পরিদর্শনে এসেছেন চাঁদপুর পৌর সভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, প্যানের মেয়র ফরিদা ইলিয়াছ। স্থানীয় কাউন্সিলর সফিকুল ইসলাম, আক্কাস আলী রেলওয়ের একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. গোফরানসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার শত-শত মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।।