বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে নিত্যপণ্যের চড়া দাম : বিপাকে স্বল্প আয়ের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২, ৪:০৮ পিএম
চাঁদপুরে নিত্যপণ্যের চড়া দাম : বিপাকে স্বল্প আয়ের মানুষ
মাসুদ হোসেন : চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, পেয়াঁজ ও সবজির দাম এখনো নিম্ন বিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তের ধরা ছোয়ার বাইরে থাকায় চাঁদপুরের অধিকাংশ মানুষ যথেষ্ঠ কষ্টে আছেন। এসব শ্রেণীর মানুষের এখন সংসারের চাকা সচল রাখাই দুঃসাধ্য হয়ে পড়ছে।
খরচের লাগাম টেনেও সংসার ব্যায় নির্বাহে কোন স্বস্তি নেই। ফলে হতাশা ভর করছে চাঁদপুরের নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাঝে। বাজারের এমন হালচাল নিয়ে অনেকে ক্ষোভও প্রকাশ করছেন। সাধারণ ক্রেতারা বলেন, ‘নিত্য পণ্যের দাম যে বাড়ল, তা কমবে কবে?’ অতীতে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকার যেসব দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করা হত, তা অনুপস্থিত গত রমজানের পর থেকেই। ফলে মানুষের দূর্ভোগ আর কষ্ট লাঘবের কোন লক্ষন নেই।
চাঁদপুরের বিভিন্ন খুচরা বাজারে চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, পেয়াঁজসহ সকল মুদি পণ্যে বেড়েছে দাম। এছাড়াও কনফেকশনারি পণ্য কিংবা রেস্টুরেন্ট খাবারেও বেড়েছে দ্বিগুন দাম। জেলার গ্রাম-গঞ্জে একসময়ে কৃষি শ্রমিক ও দিন মজুরদের তেমন কোন কাজ না থাকায় নিম্ন বিত্ত মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থাও অনেকটাই নাজুক। করোনা মহামারী শুরুর পর থেকে এ অঞ্চলের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে যে আর্থিক সংকট শুরু হয়েছিল, তা এখনো কাটিয়ে ওঠা যায়নি। সাথে নিত্যপণ্যের বাজারে ঊর্ধ্বগতি গোটা চাঁদপুরের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থাকে আরো নড়বড়ে করে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) চাঁদপুরের কয়েকটি খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪২- ৪৫ টাকায়। রসুন ৫০-৭০ টাকা ও আদার দাম ১৩০-১৫৫ টাকা থাকলেও গোল আলুর কেজি এখনো ২২-২৫ টাকা। এমনকি ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে গ্রীষ্মকালীন সবজির বেশীরভাগ এবং আগাম শীতকালীন সবজীর প্রায় পুরোটাই বিনষ্ট হওয়ায় বাজারে এর দাম এখন চড়া। ৫০ টাকার নিচে এখন আর কোন সবজী মিলছে না বাজারে। সিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, গাজর ১৪০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, শষা ৬০-৭০ টাকা, কালো বেগুন ৫০ টাকা, কই ৫০ টাকা, দু্ন্দুল ৪০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা, ছড়া ৫০ টাকা, লাল শাক ৪০ টাকা, ফুল কপি ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে মুসুর ডালের কেজি এখনো ১০০ থেকে ১২০ টাকা। মুগডালের কেজিও ১২০-১৩০ টাকা। এমনকি খেশারী ডালের কেজি এখন ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়। ময়দার কেজি ৬০-৬৫ টাকা আর সয়াবিন তেলও বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা লিটারে। ব্রয়লার মুরগীর কেজি এখনো ১৭০ টাকা ও কক মুরগী ৩০৯ টাকা কেজি। গরুর গোসতের কেজি ৭শ টাকা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital