ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : গৌরবের ৩১ বছর পূর্তিতে চাঁদপুরে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে জেলা মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের  তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত সভায় মেলার সাথে সংশ্লিষ্টরা সাধারণ সভায় অংশ নেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেলার উপদেষ্টা মন্ডলীর সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল।
তিনি বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে এই মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা। মেলাটি যেন সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বিজয় মেলায় রাজনৈতিক দ্বন্দ তৈরি করেছেন কারা? মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে আমরা সকলে একমত। কারো সাথে আমাদের দ্বিমত নেই। কমিটির সাথে সমন্বয় না করে এক ব্যক্তি সকল কাজ করতে গিয়ে কিছু দ্বিমত তৈরি করেছেন। কাজ করতে গেলে ভুল হবেই। তবে কাজকে এগিয়ে নিতে হবে। দোকানগুলো হবে মুক্তিযুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য,  শিশুদের ও নতুন প্রজন্মের জন্য।
সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন মেলার স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ ওয়াদুদ।
তিনি বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুর মুক্ত দিবস উপযাপনের লক্ষ্যেই এই মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সৃষ্টি। তারপর ১৯৯২ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রথম মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি, যুদ্ধ করেছি, জীবন দিয়েছি। এখন দেশ হলো আপনাদের। মেলায় যারা দোকান দিবেন, তারা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা জমা দিবেন। কোন ব্যক্তির মাধ্যমে লেনদেন করবেন না। ৯০ এর অভুর্থানে যারা ভুমিকা রেখেছেন ও নতুন প্রজন্মকে মেলার বিভিন্ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করবেন। হিসাব-নিকাশ, পারিবারিক সমস্যা, জেলা পরিষদ নির্বাচনসব কিছু নিয়ে সৃষ্টি হওয়া সমস্যার কারণে মেলার কার্যক্রম একটু দেরী হয়েছে। এই জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।  তবে এ বছর মেলা সঠিক সময়ে শুরু হবে। ইতোমধ্যে মাঠের কাজ শুরু হয়ে গেছে। মেলা কমিটি সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে।
মেলা কমিটির মহাসচিব হারুণ আল রশিদ এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মেলা কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরণ, অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, মেলা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড. বিনয় ভূষন মজুমদার,
চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সাবেক সভাপতি শহীদ পাটওয়ারী, ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, সাবেক সাধারন সম্পাদক রহিম বাদশা, শরীফ চৌধুরী, সোহেল রুশদী, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার যুগ্ম মহাসচিব জাফর ইকবাল মুন্না, শাহাদাত হোসেন শান্ত, ফেরদৌস মোর্শেদ জুয়েল, মাহফুজুর রহমান টুটুল, তৌহিদুল ইসলাম চপল, মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বরকন্দাজ, শেখ মহিউদ্দিন রাসেল, মিজানুর রহমান লিটন, শাওন পাটওয়ারী, জাহাঙ্গীর হোসেন ও আমির হোসেন বাপ্পি প্রমূখ।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাব চাঁদপুরের আয়োজনে বাজার পরিস্থিতি ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক মত বিনিময় সভা

চাঁদপুর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০২২
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : গৌরবের ৩১ বছর পূর্তিতে চাঁদপুরে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে জেলা মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের  তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত সভায় মেলার সাথে সংশ্লিষ্টরা সাধারণ সভায় অংশ নেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেলার উপদেষ্টা মন্ডলীর সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল।
তিনি বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে এই মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা। মেলাটি যেন সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বিজয় মেলায় রাজনৈতিক দ্বন্দ তৈরি করেছেন কারা? মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে আমরা সকলে একমত। কারো সাথে আমাদের দ্বিমত নেই। কমিটির সাথে সমন্বয় না করে এক ব্যক্তি সকল কাজ করতে গিয়ে কিছু দ্বিমত তৈরি করেছেন। কাজ করতে গেলে ভুল হবেই। তবে কাজকে এগিয়ে নিতে হবে। দোকানগুলো হবে মুক্তিযুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য,  শিশুদের ও নতুন প্রজন্মের জন্য।
সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন মেলার স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ ওয়াদুদ।
তিনি বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুর মুক্ত দিবস উপযাপনের লক্ষ্যেই এই মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সৃষ্টি। তারপর ১৯৯২ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রথম মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি, যুদ্ধ করেছি, জীবন দিয়েছি। এখন দেশ হলো আপনাদের। মেলায় যারা দোকান দিবেন, তারা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা জমা দিবেন। কোন ব্যক্তির মাধ্যমে লেনদেন করবেন না। ৯০ এর অভুর্থানে যারা ভুমিকা রেখেছেন ও নতুন প্রজন্মকে মেলার বিভিন্ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করবেন। হিসাব-নিকাশ, পারিবারিক সমস্যা, জেলা পরিষদ নির্বাচনসব কিছু নিয়ে সৃষ্টি হওয়া সমস্যার কারণে মেলার কার্যক্রম একটু দেরী হয়েছে। এই জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।  তবে এ বছর মেলা সঠিক সময়ে শুরু হবে। ইতোমধ্যে মাঠের কাজ শুরু হয়ে গেছে। মেলা কমিটি সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে।
মেলা কমিটির মহাসচিব হারুণ আল রশিদ এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মেলা কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরণ, অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, মেলা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড. বিনয় ভূষন মজুমদার,
চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সাবেক সভাপতি শহীদ পাটওয়ারী, ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, সাবেক সাধারন সম্পাদক রহিম বাদশা, শরীফ চৌধুরী, সোহেল রুশদী, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার যুগ্ম মহাসচিব জাফর ইকবাল মুন্না, শাহাদাত হোসেন শান্ত, ফেরদৌস মোর্শেদ জুয়েল, মাহফুজুর রহমান টুটুল, তৌহিদুল ইসলাম চপল, মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বরকন্দাজ, শেখ মহিউদ্দিন রাসেল, মিজানুর রহমান লিটন, শাওন পাটওয়ারী, জাহাঙ্গীর হোসেন ও আমির হোসেন বাপ্পি প্রমূখ।