বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সরকারি কলেজ প্রশাসনের সাথে প্রেসক্লাব সংবাদিক নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ৩:২১ পিএম
চাঁদপুর সরকারি কলেজ প্রশাসনের সাথে প্রেসক্লাব সংবাদিক নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

ক্যাম্পাস রিপোর্ট : মেঘনা পাড়ের বাতিঘর বলে খ্যাত চাঁদপুর সরকারি কলেজে ৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল ৪ টায় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশের সভাকক্ষে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁদপুর সরকারি কলেজের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কর্মকান্ডসমূহ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সামনে তুলে ধরেন। অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ বলেন, ‘‘ চাঁদপুর জেলার সর্ববৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চাঁদপুর সরকারি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি, ১৭ টি বিষয়ে অনার্স, ১৬ টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স ছাড়াও প্রিলি মাস্টার্স এবং ডিগ্রি (পাস) কোর্সে পাঠদান করা হয়।

কলেজটিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী বর্তমানে অধ্যয়নরত। উচ্চমাধ্যমিকসহ পাবলিক পরীক্ষায় এ কলেজের ফলাফল সন্তোষজনক। এ বিদ্যাপীঠের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। তাদেরই প্রিয় প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সব সময়ই আগ্রহী থাকে তারা। তাই এই প্রতিষ্ঠানের ভালো খবরে তারা যেমন গর্বিত হয়, তেমনি নেতিবাচক খবরে কষ্ট পায়। কলেজে বর্তমানে কর্মরত ৮৫ জন শিক্ষক এবং ৫০ এর অধিক কর্মচারী কলেজের সুনাম ও শ্রীবৃদ্ধির জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কলেজের সকল কার্যক্রম শিক্ষকবৃন্দ ও একাডেমিক কাউন্সিল এর মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রেষণা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল এবং অভিভাবকসহ সুধী সমাজের ইতিবাচক মনোভাব পোষণ ও তার বহি:প্রকাশ। কলেজের ভালো খবর যেমন তাদের কর্মে অনুপ্রাণিত করে তেমনি নেতিবাচক খবর তাদের কর্মস্পৃহা নষ্ট করে।’’

কলেজের একটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখান থেকে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজন প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পেয়ে যাচ্ছে। তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ অনুসারে কলেজে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আপীল কর্মকর্তা আছেন, যিনি কলেজ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য প্রদান করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সিইডিপি প্রকল্পের আওতায় কলেজের টিচিং লার্নিং এনভায়রমেন্ট উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় কলেজের সকল বিভাগের সেমিনার কক্ষ আধুনিকায়ন, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, স্মার্ট ক্লাসরুম, লাইব্রেরী উন্নয়ন, গালর্স কর্ণার ও ওয়াস ব্লক স্থাপন, সাউন্ড সিস্টেম এবং সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

Model Hospital

কলেজের সকল ফি অনলাইন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আদায় করা হয়, যা সরকারি বিধি ও পরিপত্র অনুযায়ী কলেজের কল্যানে ব্যয় করা হয়। কলেজে একটি দৃষ্টিনন্দন বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন ছবি ও একটি পাঠকক্ষ সম্বলিত এ কর্ণার থেকে শিক্ষার্থীরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে পারছে।

তিনি আরও বলেন, চাঁদপুর সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, আমাদের শিক্ষা পরিবারের অভিভাবক মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি মহোদয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় কলেজের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণ ও বাস্তবায়ন হচ্ছে। কলেজটি অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে নান্দনিক এবং শিক্ষার্থী অভিভাবকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে কলেজ ক্যাম্পাসে স্থাপিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্মারক স্তম্ভ। চাঁদপুরবাসীর কাছে এই স্মারক স্মম্ভটি একটি আকর্ষণীয় স্থান এবং অনেক গর্বের। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে কলেজের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে।

কলেজ ক্যাম্পাসে রয়েছে জাতীয় মানের বাস্কেটবল গাউন্ড। উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে কাউন্সিলিং সিস্টেম। প্রতি ২৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন কাউন্সিলর শিক্ষক রয়েছে। তিনি নিয়মিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ রাখছেন এবং আপটুডেট তথ্য কলেজ প্রশাসনকে অবহিত করছেন। যা শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন ও ভাল ফলাফল তৈরীতে সহায়তা করে। গত কয়েক বছরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পাসের হার প্রায় শতভাগ। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ফুড সেন্টার। অত্যাধুনিক সাইন্ড সিস্টেম সম্বলিত রয়েছে কনফারেন্স রুম। এই কনফারেন্স রুমে কলেজসহ সরকারের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় করা হয়।

শীঘ্রই কলেজে একটি ৬তলা একাডেমিক ভবনের কাজ শুরু হবে। একটি অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, ফোয়ারাসহ লেকের গাইড ওয়াল নির্মাণ, খেলার মাঠ সংস্কার, অত্যাধুনিক লাইব্রেরি স্থাপনসহ বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকান্ড পাইপ লাইনে রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজনের অকুন্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ। সকলের সহযোগিতায় এ বিদ্যাপীঠ পৌঁছবে অনন্য উচ্চতায়। আগামী দিনে কলেজের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার জন্য কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ সংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।