ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিদ্যালয়হীন গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপন করছেন আব্বাস উদ্দিন

‘সুন্দর ফরিদগঞ্জ বির্নিমানে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে’

‘সেঅঞ্চলই সুন্দর যে অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত। আমাদের শিক্ষা খাতে সময়-শ্রম বিনিয়োগ করতে হবে। এ জন্যে যারা শিক্ষানুরাগী তাদের এগিয়ে আসতে হবে। সুন্দর ফরিদগঞ্জ বির্নিমানে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে। এসব কাজে তরুণদেরকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। তানাহলে পরবর্তিতে সৃষ্টিশীল, সৃজনশীল মানুষ তৈরী হবেনা। আমি মনেকরি যে সব প্রতিষ্ঠানে আমি ব্যয় করছি সেগুলো আমার টাকা নয়; এ সম্পদ মূলত আল্লাহর। তিনি আমাকে দিয়ে বন্টন কাজ করাচ্ছেন।’উত্তর সাহেবগঞ্জ বায়তুল আমান জামে মসজিদে জুমার নামাজ পরবর্তী এক আলোচনা সভায় কথা গুলো বলেন ঢাকা টেক্সেস বারের সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন।

Model Hospital

ফরিদগঞ্জকে আলোকিত করতে এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন বহু বছর ধরে নিরবে নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের আলোচিত কর আইনজীবী ঢাকায় বসবাস করলেও নাড়ীর টানে বারবার ফিরে আসেন গ্রামের বাড়ি ফরিদগঞ্জে। অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফুটাতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। কাজ করছেন শিক্ষাখাত নিয়ে। যে অঞ্চলে বিদ্যালয় নেই সে অঞ্চলকে টার্গেট করে তিনি সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছেন। এবার তিনি নিজ গ্রাম ১৬নং রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চরমঘুয়া গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। চরমঘুয়া গ্রামে কোনো বিদ্যালয় নেই। কাগজে কলমে চরমঘুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে যে বিদ্যালয়টি রয়েছে সেটা মূলত ১৫নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম গাব্দেরগাঁও গ্রামে অবস্থিত। কী কারণে বিদ্যালয়ের নাম চরমঘুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলো তার সঠিক উত্তর জানা যায়নি।

১৬নং রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইস্কান্দার আলীর ছেলে মো. রুহুল আমিন রুবেলের হাতে ৩৩ শতাংশ ভূমির দলিল হস্তান্তর করেন এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন। গত ১২ মে শুক্রবার নির্ধারিত ভূমি পরিদর্শন করেন এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন। সেখানেই প্রস্তাবিত আব্বাস উদ্দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে দলিল হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক রোটারিয়ান আলহাজ¦ রফিকুর রহমান, ১১নং চরদুঃখিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাছির আহমেদ, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ প্রমুখ।

এর আগে তিনি ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়ালীতে ফুলমতির নেছা ফোরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার নির্মানাধীন দ্বিতল ভবন পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি সর্বশেষ কাজের খোঁজ খবর নেন। খুব সহসায় এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হবে। এই প্রতিষ্ঠানে বয়স্কদের জন্য পড়ার ব্যবস্থা থাকবে। উল্লেখ উক্ত ওয়ার্ড এবং গ্রামের এটাই যে কোন ধরনের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

দুপুরে এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন উত্তর সাহেবগঞ্জ বায়তুল আমান জামে মসজিদ এর বহুতল ভবনের পুনঃনির্মাণ কাজের তদারকি করেন। আধুনিক স্থাপনায় নির্মানাধীন এই মসজিদটি আব্বাস উদ্দিনের অর্থায়ানে পুনঃনির্মান হচ্ছে। এছাড়াও তিনি ফরিদগঞ্জকে আলোকিত করতে আরো বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সে সব কাজ তিনি করবেন এবং তা দৃশ্যমান হবে।

ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

বিদ্যালয়হীন গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপন করছেন আব্বাস উদ্দিন

‘সুন্দর ফরিদগঞ্জ বির্নিমানে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে’

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩

‘সেঅঞ্চলই সুন্দর যে অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত। আমাদের শিক্ষা খাতে সময়-শ্রম বিনিয়োগ করতে হবে। এ জন্যে যারা শিক্ষানুরাগী তাদের এগিয়ে আসতে হবে। সুন্দর ফরিদগঞ্জ বির্নিমানে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে। এসব কাজে তরুণদেরকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। তানাহলে পরবর্তিতে সৃষ্টিশীল, সৃজনশীল মানুষ তৈরী হবেনা। আমি মনেকরি যে সব প্রতিষ্ঠানে আমি ব্যয় করছি সেগুলো আমার টাকা নয়; এ সম্পদ মূলত আল্লাহর। তিনি আমাকে দিয়ে বন্টন কাজ করাচ্ছেন।’উত্তর সাহেবগঞ্জ বায়তুল আমান জামে মসজিদে জুমার নামাজ পরবর্তী এক আলোচনা সভায় কথা গুলো বলেন ঢাকা টেক্সেস বারের সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন।

Model Hospital

ফরিদগঞ্জকে আলোকিত করতে এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন বহু বছর ধরে নিরবে নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের আলোচিত কর আইনজীবী ঢাকায় বসবাস করলেও নাড়ীর টানে বারবার ফিরে আসেন গ্রামের বাড়ি ফরিদগঞ্জে। অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফুটাতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। কাজ করছেন শিক্ষাখাত নিয়ে। যে অঞ্চলে বিদ্যালয় নেই সে অঞ্চলকে টার্গেট করে তিনি সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছেন। এবার তিনি নিজ গ্রাম ১৬নং রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চরমঘুয়া গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। চরমঘুয়া গ্রামে কোনো বিদ্যালয় নেই। কাগজে কলমে চরমঘুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে যে বিদ্যালয়টি রয়েছে সেটা মূলত ১৫নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম গাব্দেরগাঁও গ্রামে অবস্থিত। কী কারণে বিদ্যালয়ের নাম চরমঘুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলো তার সঠিক উত্তর জানা যায়নি।

১৬নং রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইস্কান্দার আলীর ছেলে মো. রুহুল আমিন রুবেলের হাতে ৩৩ শতাংশ ভূমির দলিল হস্তান্তর করেন এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন। গত ১২ মে শুক্রবার নির্ধারিত ভূমি পরিদর্শন করেন এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন। সেখানেই প্রস্তাবিত আব্বাস উদ্দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে দলিল হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক রোটারিয়ান আলহাজ¦ রফিকুর রহমান, ১১নং চরদুঃখিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাছির আহমেদ, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ প্রমুখ।

এর আগে তিনি ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়ালীতে ফুলমতির নেছা ফোরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার নির্মানাধীন দ্বিতল ভবন পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি সর্বশেষ কাজের খোঁজ খবর নেন। খুব সহসায় এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হবে। এই প্রতিষ্ঠানে বয়স্কদের জন্য পড়ার ব্যবস্থা থাকবে। উল্লেখ উক্ত ওয়ার্ড এবং গ্রামের এটাই যে কোন ধরনের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

দুপুরে এ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন উত্তর সাহেবগঞ্জ বায়তুল আমান জামে মসজিদ এর বহুতল ভবনের পুনঃনির্মাণ কাজের তদারকি করেন। আধুনিক স্থাপনায় নির্মানাধীন এই মসজিদটি আব্বাস উদ্দিনের অর্থায়ানে পুনঃনির্মান হচ্ছে। এছাড়াও তিনি ফরিদগঞ্জকে আলোকিত করতে আরো বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সে সব কাজ তিনি করবেন এবং তা দৃশ্যমান হবে।