বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ওসি কামরুজ্জামানের সৃজনশীলতায় বদলেছে চাঁদপুর নৌ থানার চিত্র

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩, ৭:২৩ পিএম
ওসি কামরুজ্জামানের সৃজনশীলতায় বদলেছে চাঁদপুর নৌ থানার চিত্র
ইন্সপেক্টর (ওসি) মো.কামরুজ্জামানের সৃজনশীলতায় বদলে গেছে চাঁদপুর নৌ সদর থানা’র চিত্র। পুলিশের আচরণ যেমন পাল্টেছে, তেমন থানার চিত্রও বদলেছে। এতে আগের তুলনায় থানায় সেবার মানও বেড়েছে।
ব্যক্তি হিসেবেও চাঁদপুর নৌ সদর থানা’র ওসি কামরুজ্জামান সদালাপী ও মিষ্টভাষী। তার আচরণ ও কাজকর্মে আধুনিক পুলিশের ছোঁয়া দেখা যায়। সহকর্মীরাও তার আচরণে সন্তুষ্ট। তিনি এই থানায় যোগদানের পর থেকেই মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ তবে যে কোন মানবিক কাজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে
ওসি মো.কামরুজ্জামান কখনো ভুলে যায় নাই তার পেশাগত দায়িত্বের কথা। যেকোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা তিনি সজাগ আছেন। থানায় আসলে তিনি সব সময় অসহায় মানুষদের নিয়ে তার পাশে বসিয়ে এক কাপ চা হলেও অন্তত খেয়ে আসতে হয়। তিনি আসলেই একজন মানবিক অফিসার ইন্সপেক্টর (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। মা ইলিশ ও জাটকা নিধন অভিযান বিচক্ষণতার কারণে সফল করেছে, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, ঘূর্ণিঝড় মোখা প্রতিরোধে কঠোর ভূমিকা পালন করেন, ঈদুল ফিতরে যাত্রীদের নিরাপদে যেতে পারে সেই লক্ষ্যে পুলিশ ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়, বর্তমানে লঞ্চ টার্মিনালে ২৪ ঘন্টা পুলিশের ডিউটি চলে যেন যাত্রীদের কোন সমস্যা না হয় সেই দিকে দৃষ্টি রাখে। পুরো লঞ্চঘাট এলাকা সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রনে রেখেছে।
চাঁদপুর নৌ থানা’র ওসি মো.কামরুজ্জামান বলেন, কোনো চাওয়া-পাওয়ার জন্য নয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভালো লাগার জায়গা থেকে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি। মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যে কোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা আমি সজাগ আছি। একজন পুলিশের কাছে সেটাও সম্ভব একজন অপরাধীকে ঘৃণার দৃষ্টিতে না দেখে আইনের মাধ্যমে তাকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখে আলোর পথে নিয়ে আসা। আমরা চেষ্টা করতে পারি তাকে ভালো করার সুযোগ দেয়ার। আপনারা আমাদের সাহায্য করুন আমরা সত্যিই মানুষের স্বপ্নের পুলিশ হতে চাই।
তিনি আরও বলেন আইনের সেবক হয়ে জনতার সারিতে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবো, প্রতিটি মানুষ আমাকে খুব কাছ থেকে পাবে এবং তাদের সমস্যার কথা গুলি বলতে পারবে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন চাঁদপুরের
সুযোগ্য নৌ- পুলিশ সুপার মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় নিজ কর্মস্থলে সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সহিত দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
চাঁদপুর নৌ থানা’র ওসি মো.কামরুজ্জামান সদা হাস্যোজ্জল প্রশাসনিক দক্ষতাসম্পন্ন চৌকশ একজন অফিসার, তিনি দক্ষতা দিয়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডকে যেমনি সচল রেখেছেন তেমনি আন্তরিকতা দিয়ে সহকর্মীদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। তিনি একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও বিচক্ষণ অফিসার। কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের কারণে তিনি সকলের নিকট প্রশংসিত।
উল্লেখ্য: মো.কামরুজ্জামান ২০২২ সালের ৮ মার্চ চাঁদপুর নৌ থানা’র ওসি হিসেবে যোগদান করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital